× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

৩ টাকার আলু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫টাকা

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৮

মাদারীপুর প্রতিনিধি।।  মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের আলু বিক্রি হচ্ছে ২-৩টাকা কেজি। তবু ক্রেতা মিলছেনা। পড়ে আছে ১০ হাজার বস্তা আলু। প্রতি বস্তায় ৮০ কেজি। প্রতিবস্তা আলুর কোল্ডস্টোরেজের ভাড়া ৩’শ টাকা। তাই কৃষক বাধ্য হচ্ছে কোল্ডস্টোরেজ ভাড়ায় দায়ে পুরো আলু দিয়ে দিতে। কোল্ডস্টোরেজ থেকে প্রতি কেজি আলু ২- ৩ টাকায় টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারেই সেই আলুর দাম ১০-১৫টাকা। আলুর এই অবস্থার জন্য অতিরিক্ত মজুদ, জেলার বাহির হতে আলু আমদানি ও বাজার মনিটরিংকে দায়ী করছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

বছরের শুরুতে আলুর বাম্পার ফলনে খুশি ছিল কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তাই আলু মৌসুমে আলুর দাম কম থাকায় প্রায় ৬৫ হাজার বস্তা আলু মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে মজুদ করে রাখে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সেই আলুই এখন পথে বসিয়ে দিয়েছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের। আলু মজুদ রাখার পর হতেই মূল্য বৃদ্ধির আশায় কোল্ডস্টোরেজে রেখে অপেক্ষা করতে থাকে তারা। কিন্তু আলুর দাম তো বাড়েনি বরং দিন দিন দাম আরও কমেছে। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয়ে ফলন ঘটে আলু। আর সেই আলু কৃষকরা ন্যায্যা মূল্য না পেলেও লাভবান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। বাজার মনিটরিং না থাকায় নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। সরকার যথাযথ বাজার মনিটরিং নজর দিতে এমনটাই প্রত্যাশা কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তাদের।

বিভিন্ন কৃষক রহিম, জয়নাল, রশিদ, আব্বাস জানান, ৬মাসের জন্য আমরা এখানে আলু রাখি। এখানে আলু রাখতে আমাদের প্রতি বস্তা ৩শতটাকা দিতে হয়। তাছাড়া ১হাজার টাকা বস্তা লেবার খরচ ১শতটাকা, ঘারতি আছে ১শতটাকা। কিছু বস্তা আলু বিক্রি করেছি ৮-৯শতটাকা তাছাড়া বেশীর ভাগ আলু বিক্রি করেছি ২-৩শত টাকা। সরকারে মনিটরিং না হওয়ায় আমরা আজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

আলু ব্যবসায়ী সাদ্দাম, রতন, পরিমল, সাইদুল জানান, পচা ও ছোট আলু বাছাইয়ে গুনতে হচ্ছে আরও টাকা। এতে লোকসানের মাত্রা আরও বাড়ছে আমাদের। তারপরও কিছু আলু বিক্রির আশায় আলু বাছাই করছে এই শ্রমিকরা। আড়ৎদার কোল্ডস্টোরেজ থেকে প্রতি কেজি আলু আড়াই টাকা থেকে ৩ টাকায় বিক্রি হলেও আড়তে আলু বিক্রি হচ্ছে ৬.৫-৭ টাকায়। আলু খুচরা বাজারে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে বিক্রি হচ্ছে ১০-১২টাকায়। কিন্তু আমরা তুলতে পাচ্ছি না খরচের টাকাও । প্রতি বস্তা আলুতে প্রায় হাজার টাকা লোসে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মাদারীপুরের কোল্ডস্টোরেজের ম্যানেজার আব্দূল করিম জানান, আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের দুর্দশার জন্য অতিরিক্ত মজুদ, জেলার বাহির হতে আলু আমদানি ও ঠিক মত বাজার মনিটরিং না করা। তবে সরকারে উচিত এদিকে নজরধারী বাড়ানো।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, বাজার মনিটরিং জোরদারের পাশাপাশি মাদারীপুরের মস্তফাপুর একটি কৃষক মার্কেট করা হবে। এমন সমস্যা যাতে কৃষকদের না পড়তে হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় কৃষকরা সঠিক মূল্য পায় না, ব্যবসায়ীরা অধিক মূল্য পেয়ে থাকে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..