× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

১৪ আগস্ট এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্র্টার: আগামী ১৪ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে জনিকে হত্যার অভিযোগে মামলায় তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য।

বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের ধার্য দিনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা ছুটিতে থাকায় ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রুহুল আমিন সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

গত ১৭ এপ্রিল এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- একই থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম ও এসআই কামরুজ্জামান মিন্টু এবং পুলিশের সোর্স রাশেদ ও সুমন।

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে জনিকে হত্যার অভিযোগে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। নিহতের ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

ওই দিন আদালত মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পল্লবী থানার ইরানি ক্যাম্পে জনৈক বিল্লালের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। নিহত জনি, তার ভাই মামলার বাদী রকিসহ অন্যান্য সাক্ষীরা সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাত ২টার দিকে পুলিশের সোর্স এ মামলার আসামি সুমন মদ খেয়ে স্টেজে উঠে মেয়েদের উত্যক্ত করছিলেন। জনি তাকে প্রথমে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেন। কিন্তু দ্বিতীয়বার সুমন একই কাজ করলে সুমনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জনি সুমনকে থাপ্পর দিলে সে আধা ঘণ্টা পর এসআই জাহিদসহ ২৫/২৬ জন পুলিশ নিয়ে বিয়ে বাড়িতে এসে ভাঙচুর করে নিহত জনি ও তার ভাই রকিসহ বেশ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যান।

এরপর এসআই জাহিদসহ অপর আসামিরা তাদের পল্ল­বী থানা হাজতে নিয়ে হকিস্টিক ও ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে বেদম প্রহার করেন। এসআই জাহিদ নিহত জনির বুকের ওপর চড়ে লাফালাফি করেন। জনি এ সময় একটু পানি খেতে চাইলে জাহিদ তার মুখে থুথু ছুরে মারে। নির্যাতনে মামলার বাদী রকি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন্র।

জনিকে তার বড় ভাই রকি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশি নির্যাতনে মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ইরানি ক্যাম্প ও রহমত ক্যাম্পের মধ্যে মারামারির মিথ্যা কাহিনী দেখিয়ে জনি নিহত হয় বলে দেখানো হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..