× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সঙ্গে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও অভ্যুদয়ের ইতিহাস জড়িয়ে আছে

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এটিই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার সাক্ষী এই হোটেল। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা’য় এলে অনেক স্মৃতি মনে পড়ে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হোটেলটি উদ্বোধনের সময় একথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির পিতা যার যা কিছু আছে তা নিয়ে যখন শত্রুর মোকাবেলা করতে প্রস্তুত হতে নির্দেশ দেন, তখন থেকে এখানে সাংবাদিকদের আনাগোনা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার যে নির্দেশ দেন তা ইপিআর’র(বর্তমান বিজিবি) ওয়্যারলেস সেট দিয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সারা বাংলাদেশে পৌঁছে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে বার্তাটা ধরা পড়ে। তারা রাতে আমাদের বাসা আক্রমণ করে এবং জাতির পিতাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। চারজন ইপিআর সদস্য বার্তাটি পৌঁছে দেয়ায় নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন এই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যে বিদেশি সাংবাদিকরা ছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অ্যাকশনে যাওয়ার আগে তাদের হোটেলে আটক করে ফেলে। আর বের হতে দেয়নি। সায়মন ড্রিং তখন অল্প বয়সী ছিলেন। লুকিয়ে হোটেলের কিচেন দিয়ে কর্মচারীদের সহযোগিতায় বেরিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, সায়মন ড্রিং-ই প্রথম সাংবাদিক যিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, ঢাকার রাজপথের লাশের ছবি তুলে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হন। কাজেই এই হোটেলের সঙ্গে আমাদের অনেক স্মৃতি জড়িত।

সেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল, পরে শেরাটন এবং সেখান থেকে রূপসী বাংলা নাম ধারণ করে চার বছরের সংস্কার ও আধুনিকায়নের পর আবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬০ বছরের পুরনো ভবন সংস্কারের মাধ্যমে নতুন রূপে সেজেছে পাঁচতারকা এই হোটেল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..