× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

হিন্দু হত্যার প্রতিবাদে বিজেপির হুমকি

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬

কুসুমকান্তি বিশ্বাস, কোলকাতাঃ  বাংলাদেশের হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না হলে ভারতের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকবে না। প্রয়োজনে পেট্রাপোল ও বেনাপোল সীমান্ত আটকে দেওয়া হবে। এমনকি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসও বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুক্রবার এভাবেই হুমকি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার রাজ্য সভাপতি ও বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলেন,  বাংলাদেশে হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ প্রায় প্রতিদিনই খুন হচ্ছে। সেই দেশের সরকারের উচিত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা। গতকাল শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলা চত্বরের ওয়াই চ্যানেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেছিল। কিন্ত  বর্তমানে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেভাবে একের পর এক আক্রমণ ঘটছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

দিলীপ ঘোষ হুমকি দেন, ‘বাংলাদেশ সরকার যদি এসব হত্যাকাণ্ড থামাতে না পারে তবে পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দরের সামনে আমরা ধরণায় বসব এবং দরকার হলে দুই দেশের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমাগত হামলার ঘটনা আমরা কোনোমতেই মেনে নেব না।’

দিলীপ ঘোষ আরো বলেন, বর্তমানে ভারতে যে কেন্দ্রীয় সরকার রয়েছে, তারা হিন্দুদের প্রতি সহানুভুতিশীল। বিশ্বের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার মুখ বুজে আর সহ্য করবে না ভারত।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে বামপন্থীরা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে আন্দোলন করে, অথচ বাংলাদেশে যখন হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তখন এই বামপন্থী কিংবা তৃণমূল কংগ্রেসকে পথে দেখা যাচ্ছে না। এই বিষয়ে তারা অদ্ভূতভাবে  নীরবতা পালন করছে। একই অভিযোগ তোলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি রাহুল সিনহাও।

রাহুল সিনহা এবং দিলীপ ঘোষ দুজনেই বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারত সরকারের সুসপম্পর্ক রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার সে দেশে মৌলবাদী জামায়াতবিরোধী যে পদক্ষেপ নিয়েছে এর জন্য সাধুবাদ জানান তাঁরা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..