স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রবাসীর সংসার তছনছ, মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রবাসীর সংসার তছনছ, মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

তিন সন্তানের জননীর পরকীয়া হাতেনাতে ধরা পরায় প্রবাসে থাকা স্বামী ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে হয়রানীর উদ্দেশ্যে মামলা দায়েরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি করেছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী মামুন খান। ঘটনাটি জেলার হিজলা উপজেলার বদরপুর গ্রামের।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রবাসীর বড় ভাই আতাহার খান অভিযোগ করে বলেন, ভাই মামুন খান চার বছর ধরে মালয়েশিয়া থাকার সুবাধে তার স্ত্রী তানজিলা বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। গ্রামের যুবকরা ওৎপেতে সম্প্রতি সময়ে হাতেনাতে তানজিলা বেগমকে তার পরকীয়া প্রেমিক একইগ্রামের রাজ্জাক মুন্সির ছেলে ডালিম মুন্সিসহ আটক করে। এনিয়ে স্থানীয়ভাবে ঘরোয়া শালিস বৈঠকে বিষয়টি সমাধান করা হয়। ওইসময় তানজিলা বেগম মুচলেকা দিয়েছে সে আর ডালিম মুন্সীর সাথে যোগাযোগ রাখবেন না। এরপরেও তারা পরকীয়া চালিয়ে যাচ্ছিলো।

আতাহার খান আরও বলেন, গত একমাস পূর্বে মামুন খান ছুটিতে গ্রামে এসে তানজিলার মোবাইল ফোনের একমাসের কললিস্ট উঠিয়ে দেখতে পায় ডালিমের সাথে তার স্ত্রী প্রতিদিন একাধিকবার যোগাযোগ করেছে। এনিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহ দেখা দিলে তানজিলা জানায় তাকে ডালিম ফোন দিয়ে বিরক্ত করে। বিষয়টি ডালিমকে জিজ্ঞাসার পর সে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালিয়ে তাকে (আতাহার) মারধর করে। পরে উত্যক্তের ঘটনায় তানজিলা বাদি হয়ে হিজলা থানায় ডালিম মুন্সীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৫দিন পূর্বে মামুন খান মালয়েশিয়া যাওয়ার পর তানজিলা তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরবর্তীতে থানায় গিয়ে ডালিমের বিরুদ্ধে তার পূর্বের দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়।

অভিযোগে আরও জানা গেছে, পরকীয়ার ঘটনা ধামাচাঁপা দিতে উল্টো তানজিলা বেগম বাদি হয়ে তার প্রবাসী স্বামী মামুন খান ও তার বড়ভাই আতাহার খানের বিরুদ্ধে বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের (সিনিয়র সহকারী জজ) কাছে যৌতুকের দাবিতে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। একইসাথে ব্র্যাকের লিগ্যাল এইড মুলাদী অফিসে অনুরূপ একটি অভিযোগ দিয়ে প্রবাসীর পরিবারকে হয়রানী শুরু করেছেন।

মালয়েশিয়া প্রবাসী মামুন খান মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর দুটি অভিযোগ সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি করেছেন। প্রবাসীর অভিযোগের ব্যাপারে তানজিলা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন (০১৩০৮-১২৪২০৯) ও ডালিম মুন্সীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন (০১৭২১-০১৬৮২১) নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাদের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।