সিলেটে গড়ে উঠেছে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প

সিলেট প্রতিনিধিঃ পর্যটন বর্ষ ২০১৬ সালে দেশে ১০ লাখ বিদেশি ভ্রমণকারীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পর্যটন কেন্দ্রগুলো। আর লক্ষ্য অর্জনে পর্যটন বর্ষ জুড়ে সিলেট অঞ্চলের প্রতি সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় পর্যটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

অন্যদিকে সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর বিমানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন চান হোটেল মোটেল রিসোর্টের মালিকরা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজারকে কেন্দ্র করে সিলেট অঞ্চলে গড়ে উঠেছে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প। যান্ত্রিক কোলাহল থেকে প্রকৃতিকে ছুঁয়ে দেখার জন্য প্রতিদিনই সিলেট অঞ্চলে ছুটে আসছেন পর্যটকরা।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বিছনাকান্দি, রাতারগুল, জাফলং, মাধবকুণ্ড, পান্তুমাই, উৎমাসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে ক্লান্ত পর্যটকরা চা বাগানের সবুজ ছায়ায় নিজেকে সতেজ করে নেন।

২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণার পর বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুসহ নানা ঘোষণা দেন। এ প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টরা এই ঘোষণার বাস্তবায়ন চান। আর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সিলেটের ব্যবস্থাপক কাজি আশরাফুর রহমানের দাবি, পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পর্যটক বান্ধব করা হয়েছে।

এদিকে, সিলেট অঞ্চলে আসা পর্যটকদের জন্য পুলিশ সদস্য পর্যাপ্ত নয় বলে জানালেন সিলেট ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম গণিউজ্জামান।

সিলেট অঞ্চলে ছোট-বড় হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট রয়েছে পাঁচ শতাধিক। আর তারকা মানের হোটেল রিসোর্ট রয়েছে ১০টির মতো।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।