বর্তমান সময়ে পরমাণু বিস্ফোরণের চেয়েও অধিক কার্যকর হয়ে উঠেছে ‘সাইবার হানা। কেবলমাত্র সাইবার হানার মাধ্যমে একটি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলা সম্ভব। সাইবার হানা রুখতে একটি মাত্র অস্ত্র ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সাইবার দিকটিকে শক্তিশালী করে তুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভারত।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেন, সাইবার হানা রুখতে আমাদের একটিমাত্র অস্ত্র রয়েছে এবং সেটি হল ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। আর এবার সেই অস্ত্রে শান দিতে নেমে পড়ল কেন্দ্র।
দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের ওপর একটি প্রদর্শনী হতে চলেছে, যার উদ্বোধন করবেন স্বয়ং রাজনাথ সিংহ। বর্তমানে এই প্রদর্শনের ওপর নজর রয়েছে গোটা দেশবাসীর।
এই প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার বলেন, “এ বছর স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অঙ্গ হল এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রদর্শনিতে মোট ৭৫ টি প্রযুক্তি দেখানো হতে চলেছে, যেগুলি তৈরি হচ্ছে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে। এখানে রোবট থেকে শুরু করে সাইবার হানা প্রতিরোধে ব্যবস্থা সকলের সামনে তুলে ধরা হবে।”
উল্লেখ্য, গত বছর আফগানিস্তানে তালিবানি দখল এবং সম্প্রতি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই বিষয়টিকে আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। তবে বর্তমানে যুদ্ধের কৌশল বদলেছে বহুগুণে। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেকোনো দেশের প্রধান শক্তির দিক ছিল পরমাণু। কিভাবে পরমাণু বিস্ফোরণ একটি দেশকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিতে পারে, তার প্রমাণ আমরা অতীতে পেয়েছি। তবে বর্তমানে পরমাণু বিস্ফোরণের চেয়েও অধিক কার্যকর হয়ে উঠেছে ‘সাইবার’ প্রসঙ্গ।



