× Banner
সর্বশেষ
দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস ১৭ জেলার নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী

শ্রীমঙ্গলে ‘চাকা’ মঞ্চায়ন

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৯

মাহমুদ খান, নিজস্ব প্রতিনিধি মৌলভীবাজার: শরতের এক তপ্ত বিকেলে সবাই যখন ঘেমে নেয়ে অস্থির তখন একদল মানুষ এই তীব্র গরম উপেক্ষা করে মঞ্চে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নাটক মঞ্চায়নের। প্রান্তিক থিয়েটারের নাট্যকর্মীদের প্রচেষ্টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মঞ্চায়িত হলো নাট্যকার সেলিম আল দীন রচয়িত ‘চাকা’ নাটকটি।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের মহসীন অডিটোরিয়ামের কানায় কানায় পূর্ণ হল রুমে পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মঞ্চায়িত হয় নাটকটি। দর্শকরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন এই মঞ্চায়ন। নাটকের নির্দেশনা দিযয়েছেন জুয়েল কবির।
চাকা নাটকের আখ্যানে রয়েছে গরুর গাড়িতে করে ভুল ঠিকানায় একটি লাশের এগিয়ে চলা ৷ একটি অন্যায় মৃত্যুর দায় রাষ্ট্র কীভাবে চাপিয়ে দিচ্ছে

প্রান্তিক মানুষের ওপর, তা এই নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য। স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের সময় হাকিম আলী গায়েনের কাছ থেকে গল্পটি শুনেছিলেন এই নাটকের রচয়িতা সেলিম আল দীন। আর সেই গল্পটিতেই পরবর্তীতে নাট্যরূপ প্রদান করেন তিনি। নাটকের কাহিনী এগিয়ে চলে চাকার পরিভ্রমণের সঙ্গে। সামনে পড়ে থাকে আদিগন্ত পথ। চাকার গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরা গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে রওয়ানা দেয় এক অপঘাতে মৃত্যুবরণকারীর লাশ নিয়ে। যেতে যেতে লাশের সঙ্গে গড়ে ওঠে তাদের সখ্যতা।

লাশের শোকগ্রস্ততা তাদের শোকাহত করে। ভুল ঠিকানায় যেতে যেতে লাশে পচন ধরে। কিন্তু তারা পিঁপড়াকে পর্যন্ত খেতে দেয় না লাশের পচাগলা অংশ। পথ চলতে চলতে এ লাশই হয়ে ওঠে তাদের আপনজনস্বরুপ। গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরা তাদের জীবনবাজি রেখেও লাশের দেহকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। নাটকের শেষ দৃশ্যে দেখা যায় সেই লাশের ঠিকানা খোঁজে না পেয়ে গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরাই লাশটিকে কবরস্থ করে।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন প্রান্তিক থিয়েটারের নীলকান্ত দেব, প্রসেনজিত রায় পুলক চক্রবর্তী, অনিক কুমার ভট্টাচার্য, মৃনাল কান্তি দেব, অপরাজিতা দেব, নীলিমা রাণী দেব, ঝুমা আক্তার। শব্দ যন্ত্রে ও সঙ্গীতে ছিলেন শেলী সূত্রধর, প্রনবেশ কুমার চৌধুরী, পার্থ দাশ, মলয় দত্ত, বাঁধন, তূর্য্য, ত্রিদিব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..