× Banner
সর্বশেষ
লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠান বয়কট করে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করলেন এনসিপি নেতারা প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য – প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছে কেয়া আক্তার, বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল – সংস্কৃতিমন্ত্রী ডাসারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না – জামায়াত আমির বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ৩১০ বোতল ভারতীয় উইনিক্স সিরাপ উদ্ধার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার -তথ্যমন্ত্রী

শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হবে বাংলাদেশ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাবো। আগামী মার্চ মাসে জাতিসংঘের একটি সভায় এ ঘোষণা দেয়া হবে। সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতি খুব ভালোর দিকে যাচ্ছে। জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আগামী বুধবার (১৭ জানুয়ারি) শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ)। ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বাস্তবায়ন অগ্রগতির পর্যালোচনাকে সামনে রেখে এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষ্যে সোমবার শেরে বাংলানগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা এখন বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছি। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে ভালো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই।

এসময় ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজমসহ অর্থমন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে চীনের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দাতা হিসেবে চীন নতুন। তাই কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে এটা কেটে যাবে। চীনের অর্থায়নে ইতোমধ্যে ৪টি প্রকল্পের ঋণচুক্তি হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের অর্থায়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ অনেক দূর এগুলেও এটি এখন নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হবে। যে বিদেশি সংস্থাকে কাজের টেন্ডার দেয়া হয়েছিল, তারা শেষ মুহূর্তে এসে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় কাজটি এগুইনি।

তবে এসডিজি অর্জনে অর্থায়নকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে দাতাদের কাছ থেকে খুব বেশি অর্থ পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি না। কারণ এমডিজির সময়ও তারা যে পরিমাণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার বাস্তবায়ন করেনি। এক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব সক্ষমতার উপর জোর দিতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..