বেনাপোলকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে চাই -মেয়র লিটন

স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোলঃ যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন, যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৫ টি বছর লালন পালন করেছে, বেড়ে উঠার সময়, তৈরী হওয়ার সময় যে শিক্ষকরা প্রানপন চেষ্টা করেছে তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে লেখা পড়া শিখিয়েছে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নয়।
সেই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানকে সারাজীবন আমাদের মমতা দিয়ে ভালবাসা দিয়ে আমাদের সন্মানের জায়গায় রাখতে হবে। তাই অযথা পরনিন্দা পরচর্চা করে সময় ব্যায় না করে মানুষের মত মানুষ হতে এই সময়কে কাজে লাগিয়ে লেখা পড়া করে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হবে। আমি বেনাপোলকে একটি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। কথা গুলো বললেন বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের এস এসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।
রোবাবার বেলা ১২ টার সময় মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রমজান আলী। প্রধান অতিথি মেয়র লিটন বলেন, কাউকে অপমানিত করে সন্মানিত হওয়া যাবে না। অন্যকে সন্মান করতে না পারলে নিজে সন্মানিত হওয়া যায় না। ভাল ব্যবহারে বংশের পরিচয়। যদি খারাপ ব্যবহার করা হয় তাহলে মানুষ বলবে ওর পিতা মাতা ভাল না।
তার জন্য বিদ্যালয়ে এসে এবং সমাজের সকল স্তরে সকলকে ভাল ব্যবাহার করতে হবে। তবেই সেই শিক্ষার্থীর মঙ্গল হবে। যাদের ভাল মন্দ বিচার করার ক্ষমতা নেই তাদের দিনে দিনে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতে রুপান্তরিত হওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। জয়ী হতে হলে সকলকে ভাল মন্দের পার্থক্য, ন্যায় অন্যায়, আদাব কায়দা, সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। সরকার স্কুলের সকল শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দিচ্ছে, বেতন দিচ্ছে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করছে সেখানে কোন শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ হতে পারবে না। আমি চাই আমার মেয়েরা এই বিদ্যালয়ের মেয়েরা এমন রেজাল্ট করবে এমন আচারন করবে এমন জায়গায় তাদের শিক্ষা নিয়ে পৌছে যাবে যা দেখে সকল উপজেলার মানুষ শিখবে, পৌর সভার মানুষ শিখবে কি ভাবে ভাল লেখা পড়া ও ভাল আচারনের মাধ্যেমে বড় হওয়া যায়। জীবনটাকে পিছিয়ে দেয় এমন কোন কাজ করা যাবে না। আমি চাই এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে হবে বিচারপতি, মন্ত্রী, এমপি, সচীব। যাতে এদের সন্মান আকাশচুম্বী করে দিবে।
প্রধান অথিথি আরো বলেন আমি এই নগরীকে আরো সুন্দর ও সুস্থ নগরীতে পরীনত করতে আরো ২৫ বছর বেঁচে থাকতে চাই। যে নগরীতে হবে ৬০ বিঘা নিয়ে একটি শিক্ষা নগরী যে নগরীতে ৩০ বিঘা নিয়ে হবে একটি স্বাস্থ্য নগরী। এই শহরের মানুষ এখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা সবটাই এক সঙ্গে নিতে পারবে আমি সেই শহরের স্বপ্ন দেখি। যদি আমি বেচে থাকি তবে এই নগরীকে আমি সেই নগরীতে পরিনত করব যা দেখে সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে বেনাপোল বাসী সন্মানিত হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।