সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace)’ বিষয়ক একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হয়েছে।
সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে গৃহীত এই প্রস্তাবে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া, অব্যাহত সংলাপ এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারই একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠনের প্রধান ভিত্তি।
তিনি প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানানো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়ার সংস্কৃতি জোরদারে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো গৃহীত ‘Culture of Peace’ প্রস্তাবটি গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে শান্তি, সহনশীলতা ও অহিংসার মূল্যবোধ প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।