× Banner
সর্বশেষ
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্তের ২৫৪ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়ন জাতীয় সংসদই হবে রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন উপকূলীয় সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানই কার্যকর পথ: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই জুলাই শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা: মির্জা ফখরুল সবার সঙ্গে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন করবে সরকার – তথ্যমন্ত্রী মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে মান্দায় বিলে ডুবে নারীর করুণ মৃত্যু বেনজীরের জামিন বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

লতাপাতা দিয়ে তৈরি পণ্য ছড়িয়ে পড়ছে ৩২ টি দেশে-বছরে রপ্তানি হয় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার পণ্য

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ১৪ মে, ২০২২
লতাপাতা দিয়ে তৈরি পণ্য ছড়িয়ে পড়ছে ৩২ টি দেশে

হোগলাপাতা, খেজুরপাতা, শণ বা ঝুটের সুতার মতো পঁচনশীল উপাদান দিয়ে পণ্য তৈরি করে রপ্তানি হচ্ছে ৩২টি দেশে। বছরে রপ্তানি হয় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার পণ্য।

এর পেছনের কারিগর তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদি হাসান নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখন সফল উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১০ কোটিতে।

মেহেদি হাসানের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটা সহজ ছিল না। শুরুতেই মুখ ফিরিয়েছিল পরিবার। এরপর বন্ধুবান্ধব। অসহযোগিতা ছিলো ব্যাংকসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের।

ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে লেখাপড়া, পোশাক কারখানার চাকরি সব ছেড়ে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্রোতের বিপরীতে পা বাড়ান। সঙ্গে ৮০ হাজার টাকা, আর তিন জন শ্রমিক।

অবহেলিত আর অনেকটা ফেলে দেয়ার মতো উপকরণ খেজুর পাতা, হোগলা পাতা, তাল পাতা, পাট, বেত, বাঁশ, কাশফুলের গাছ, কাঠসহ নানান ধরনের লতাপাতা তৈরি হচ্ছে নানা পণ্য।

উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঝুড়ি, টেবিলম্যাট, ছোট-বড় থলে ইত্যাদি। এসব পণ্য যাচ্ছে ৩২ দেশে। এর মধ্যে আমেরিকা, আমিরাত, নেদারল্যান্ড, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া উল্লেখযোগ্য।

আর এতেই ঘুরে যায় মেহেদির জীবনের গল্প। সাড়ে চার বছরে তার প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সংখ্যা দাঁড়ায় তিন হাজারে। বছরে রপ্তানি হয় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার পণ্য।

দেশের আট এলাকায় পণ্য তৈরি করছেন তারা। এদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী। কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও লোকবলের সহজপ্রাপ্তির ভিত্তিতে উপশাখাগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার আগে টিউশনির ৮০ হাজার টাকা ছিল আমার কাছে। তা দিয়েই যাত্রা শুরু। এই প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো ঋণ নিইনি। ব্যবসায়ের মুনাফা থেকেই ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণ করেছি, জনবল বৃদ্ধি করেছি।

এভাবেই যাত্রা শুরু হয় নেচার ক্রাফট বাংলাদেশ লিমিটেডের। প্রধান কারখানা গাজীপুরের ধীরাশ্রমে। পরিবেশবান্ধব এইসব পণ্য বানানোর কাজ করতে পেরে শ্রমিকরাও খুশি।

বিদেশ থেকে এসব পণ্যের যে পরিমাণ চাহিদা আছে তা দেশে নেই উল্লেখ করে উদ্যোক্তা মেহেদী বলেন, দেশে মাদ্র দুই একটি পণ্য নেয়ার সৌখিন ক্রেতা পাওয়া যায়।

তিনি জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ ফুটের দুই কন্টেইনারে নিয়মিত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে দেশের বাইরে। মাসের বিভিন্ন সময় ক্রেতাদের অর্ডার বেড়ে গেলে এ সংখ্যা ৩-৪ কন্টেইনারও হয়।

শুরুতে মেহেদী হাসান নিজেই শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এখন অভিজ্ঞ শ্রমিকরা পর্যায়ক্রমে নতুনদের প্রশিক্ষণ দেন। তৈরি পোশাক ও সোয়েটার কারখানাগুলোর মতোই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা দেয়া হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..