× Banner
সর্বশেষ
আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ বিশ্ব রেঞ্জার দিবস ২০২৬: ইতিহাস, প্রতিপাদ্য, গুরুত্ব ও রেঞ্জারদের অবদান আজ ৩১ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ৩১ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী

স্টাফ রিপোর্টার

রৌমারীতে অপহরণ ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২
অপহরণ ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিরোধের জেরে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২জুন) বিকেলে উপজেলার বাঘেরহাটের দক্ষিন পাশের টেকানী গ্রামের জিন্ধিস জরাম নদীর পাড় থেকে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ১১ ফেব্রয়ারি রাতে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগ ওঠে। পরে ২৯ এপ্রিল স্বামী শালু মিয়াকে অপহরণের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে রৌমারী থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন স্ত্রী রেজেকা খাতুন।

এ ঘটনায় গত ৩০ মে রাতে মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রৌমারী থানায় এনে ৩১ মে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের চর কাউয়ারচর (বাঘের হাট) গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে। হত্যার শিকার শালু মিয়া (৩৫) একই ইউনিয়নের কাউয়ারচর গ্রামের মৃত চাঁন মন্ডলের ছেলে।

এরপর ঘটনার সুত্র ধরে গত বুধবার (১ জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে শালু মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে বৃহস্পতিবার (২জুন) শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে
পুলিশ। গ্রেফতারকৃত খয়বর আলী (৩২) রৌমারী উপজেলার ঝগড়ার চরের ছলে হকের পুত্র এবং জিয়া (৫০) একই উপজেলার কাউয়ার চরের তালেব এর পুত্র। হত্যার শিকার শালু মিয়ার স্ত্রী রেজেকা খাতুন বলেন, আমার স্বামি শালু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনের সাথে ব্যবসায়ীক বিরোধ চলে আসছিল।

এরই সূত্র ধরে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য জাকির হোসেন আমার স্বামীকে ফোনে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের স্লুইটগেট এলাকায় আসতে বলেন। আমার স্বামি তার ফোন পেয়ে দ্রুত উক্তস্থানে চলে যান। আমিও তার পিছু পিছু সেখানে যাই। গিয়ে দেখি জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন সেখানে আগে

থেকেই অবস্থান করছিলেন। তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তারা তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুজে পাওয়া যায় না। পরে তারা নানা ধরণের টালবাহানা করতে থাকেন। তারা তাকে অপহরণের পর গুম করেছে। রৌমারী থানায় ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, গত ৩০ মে মামলার প্রধান আসামী ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানোর পর বুধবার (১জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্যমতে শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..