× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বাংলাদেশ

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগের প্রস্তাব এসেছে, সেটিকে বাংলাদেশ সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে।

তাঁর মতে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি করিডর প্রতিষ্ঠিত হলে পণ্য পরিবহন, মানুষের চলাচল এবং সামগ্রিক সংযোগ (কানেক্টিভিটি) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা-সব ক্ষেত্রেই পারস্পরিক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, সরকার এ উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে এবং পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে পরবর্তী অগ্রগতি নির্ধারণ করা হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারে দক্ষিণ এশিয়ান একাডেমি ফর ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপের তিনদিনব্যাপী একাডেমি প্রোগ্রামের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, এ উদ্যোগের সঙ্গে মিয়ানমার এবং রোহিঙ্গা ইস্যুরও একটি সম্পর্ক রয়েছে। মিয়ানমারকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হলে দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, স্থিতিশীলতা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা অপরিহার্য। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের নিয়মিত আলোচনা চলছে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা ও মানবিক-উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই অন্যতম শীর্ষ উদ্বেগের বিষয়। তাই এ সমস্যার একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।

উপদেষ্টা বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে শুধু দ্বিপক্ষীয় নয়, বহুপক্ষীয় অংশীদারদের সঙ্গেও কাজ করতে হবে। চীন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার।

তাই রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রেখে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে কাজ করবে বাংলাদেশ।

তিনদিনের এই একাডেমি প্রোগ্রামে বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ারসহ বিভিন্ন দেশের জেসিআই সদস্য তরুণ নেতা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।

দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান নেতৃত্বকে বিকশিত করার লক্ষ্যে জেসিআই বাংলাদেশ-এর ২০২৬ সালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ-এর নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাহী বোর্ড এবং ঝঅঅওখ ২০২৬ আয়োজক কমিটি যৌথভাবে এ আন্তর্জাতিক একাডেমির আয়োজন করেছে।

এই আযোজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচিসফলভাবে আয়োজনের সক্ষমতা প্রদর্শনের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উদীয়মান নেতা, জেসিআই সদস্য, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিএবং বিশিষ্ট অতিথিদের একত্রিত করেছে জেসিআই বাংলাদেশ।

উদ্বোধনী অধিবেশনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জেসিআই নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ২০২৬ সালের জেসিআই ওয়ার্ল্ডপ্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রা কাস্তিযো, জেসিআই ভারতের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ভারত এন. আচার্য, জেসিআই নেপালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট সিনেটরজীবন কার্কি এবং জেসিআই শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জে.সি. সান্দুন উইরাসিংহে।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিনসহ দেশের শীর্ষ কয়েকজন ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..