রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে ২০ দলের ভরাডুবির জন্য দায়ী বিএনপি

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি: সম্প্রতি ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ ইং সালে অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মোকাররম হোসাইনের হেরে যাওয়ার কারণ হিসেবে উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের বিএনপির ১ম সারির নেতাদের নিস্ক্রিয়তা। ২০ দলের ২য় সারির নেতাদের অভিযোগ বিগত যে কোন নির্বাচনের পরিসংখ্যানে রাণীশংকৈল উপজেলায় পৌর এলাকাকে বিএনপি তথা ২০ দলের ভোট ব্যাংক ধরা হয়। অথচ পৌর সভার যে সব ওয়ার্ডে ২০ দলের সমর্থিত যে কোন প্রার্থী বিপুল ভোটে নিকটতম প্রতিদন্দীর তুলনায় বেশি থাকে সে সব ওয়ার্ডে এবার ভরাডুবি।

কারণ হিসেবে তৃণমূল নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার পৌরসভায় ২০ দলীয় জোটের নির্দেশনায় মেয়র প্রার্থী ছিলেন তরুণ উদিয়মান নেতা মোকাররম হোসাইন। বিএনপির ১ম সারির নেতারা মোকাররম হোসাইনকে মেনে নিতে না পেরে কোন প্রচারণায় তেমন একটা অংশ নেননি।

অভিযোগ রয়েছে তারা অন্য প্রার্থীর সাথে আতাত করে কর্মী সর্মথকসহ নিজের ভোটটিও সে প্রার্থীকে দিয়েছেন। তৃণমূলের অভিযোগ ১ম সারির নেতারা যেন অঘোষিতভাবে অন্য দলে যোগ দিয়ে তাদের নির্বাচন করেছেন। উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক মাষ্টার, সিনিয়র-সহসভাপতি ৩নং হোসেনগাও চেয়ারম্যান মাহবুব আলী, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক শাহাজাহান আলী, পৌর সম্পাদক আব্দুল মতিন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, পৌর যুবদল সভাপতি আমিরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি পলাশ চৌধুরী সহ আরো বেশ কয়েকজন নেতা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এটা বিএনপি তথা ২০ দলের ক্ষতি, তারা মনে করেন প্রার্থী যেমনি হোক না কেন তার পিছনে না থেকে অন্য দলের সাথে আতাত করাটা ভাল লক্ষন নয়। উল্লেখ্য, ২০ দলীয় সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা, মোকাররম হোসাইনের নির্বাচনের শুরুতে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা ভাল থাকলেও বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের নিস্ক্রিয়তায় হেরে যেতে হয় তিনাকে। এ প্রসঙ্গে সাবেক ছাত্রনেতা মুনতাসির আল মামুন মিঠু বলেন, উপজেলা বিএনপি নেতাদের দলের প্রতি কোন শ্রদ্ধাবোধ নেই এরা টাকার কাছে বিক্রী হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।