পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত-বাংলা যৌথবাহিনীর যুদ্ধের চতুর্থ দিন

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত-বাংলা যৌথবাহিনীর যুদ্ধের চতুর্থ দিন

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত-বাংলা যৌথবাহিনীর যুদ্ধের চতুর্থ দিন আজ। ১৯৭১ সালের এইদিনে মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে যুক্ত হয় আরেক মাইলফলক। ভারত ও বাংলাদেশের সম্মিলিত বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনাদের ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ চালায়, ফলে পাকিস্তানি সৈন্যরা দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং তাদের মনোবল ভেঙে যায়। বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ভারত ও ভুটান। যা ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার পথে একটি বড় পদক্ষেপ।

ভারত ও ভুটানের স্বীকৃতি পাকিস্থানের একটি বড় ধাক্কা এবং যৌথবাহিনীর বিজয়ের পথকে আরও সুগম করে, কারণ এই দিনে মিত্রবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে, তাদের মনোবল ভেঙে দেয় এবং তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

আজকের দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী কৌশলগতভাবে পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলো পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যায়, যার ফলে পাকিস্তানিরা পাল্টা জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সিলেটে পাকিস্তানি বাঙ্কার ও যানবাহন ধ্বংস করে এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি কনভয়ে আঘাত হানে।

যৌথবাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সৈন্যরা পালাতে শুরু করে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়, যা বিজয়ের চূড়ান্ত ক্ষণকে ত্বরান্বিত করে।

মোটকথা, চতুর্থ দিনটি ছিল বিজয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যেখানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই মিত্রবাহিনী জয়লাভ করে।

১৯৭১ সালের এই দিনে ফেনী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ,মেহেরপুর, সুনামগঞ্জ জেলা, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজারের তিন উপজেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।