× Banner
সর্বশেষ
ধর্ম নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার আগে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও

ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক: কৌশল নাকি ভুল হিসাব?

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে United States ও Pakistan-এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু বিশ্লেষণে দাবি করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন এখনও ইসলামাবাদকে আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

একজন ইসরায়েলি বিশ্লেষকের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হয়েছে, পাকিস্তান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি অনানুষ্ঠানিক বার্তা দিয়ে আসছে—তাদের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ না করলে তারা আঞ্চলিক সংকট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে। যদিও এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ সীমিত, তবুও বিষয়টি নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা তৈরি করেছে।

বিশেষ করে Iran-কে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানকে একটি সম্ভাব্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে দেখার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। তবে এ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কূটনৈতিক পদক্ষেপ বা চুক্তির বিষয়ে প্রকাশ্য কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে Afghanistan যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একইসঙ্গে, বিভিন্ন সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবিশ্বাস ও মতবিরোধও লক্ষ্য করা গেছে।

অন্যদিকে, India-র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার হয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেলেও, ওয়াশিংটনের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে পাকিস্তান এখনও একটি প্রাসঙ্গিক ফ্যাক্টর হিসেবে রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র একাধিক আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বজায় রেখে তার কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করছে। ফলে ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশকেই ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের নীতি অব্যাহত থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায়, বহুমুখী কৌশলগত প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..