যশোরে অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

যশোর প্রতিনিধিঃ শনিবার বিকেলে পুলিশ উপশহর পার্কের দিঘীর পশ্চিম উত্তরের পাশের পানির মধ্যে থেকে অজ্ঞাতনামা (২৫) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে। খুনি হাসান গাজীর দেখানো মতে লাশটি উদ্ধার করা হলেও হত্যার মোটিভ কিংবা নিহত যুবকের পরিচয় মেলেনি এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত।

উপশহর পুলিশ  ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইউসুফ হোসেনসহ একদল পুলিশ শনিবার দুপুরে উপশহর ট্রাকস্ট্যান্ডের অদূরে অবস্থানকালে হাসান গাজীকে আটক করে। সে সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়ার আব্দুল কুদ্দুস গাজীর ছেলে।হাসান গাজীকে আটকের পর পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিহত যুবকের নাম সোহাগ তার বাড়ি শেখহাটি এলাকায়।

শুক্রবার রাত পৌনে ৯ টার সময় কিসমত নওয়াপাড়ার বিশ্বাস বাড়ির অদূরে স’ মিলের পাশে মানিকদের বাড়ির পিছনে হাসান গাজীসহ ৬/৭ জন মিলে উক্ত যুবকের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুখ ও গলার নীচের অংশে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে।স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন,শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় উক্ত স্থানে হাসান গাজীর সাথে মাসুদের ছেলে বাবুসহ বেশ কয়েকজনের সাথে নিহত যুবকের ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায় খুন হওয়ার পর তার লাশ খুনীরা লুকিয়ে রাখে। মানিকের মাতা ধস্তাধস্তির বিষয়টি তার পরিচিত র‌্যাবের এক সদস্যকে জানায়।

উক্ত র‌্যাব থেকে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল গভীর রাতে কিসমত নওয়াপাড়া এলাকায় ঢুকে উপশহর পার্কের দিঘী ও কিসমত নওয়াপাড়ার পুকুরে টর্চ লাইট মেরে যুবকের সন্ধ্যান নিতে থাকে। পুলিশের পূর্বে এলাকাবাসী দিঘী ও কিসমত নওয়াপাড়ার পুকুরে লাশের সন্ধ্যান করেন।সুত্রটি জানিয়েছেন,হাসান গাজী ও তার সহযোগীদের সাথে উক্ত যবুকের  বিরোধকে কেন্দ্র করে কোথাও থেকে ধরে নিয়ে কিসমত নওয়াপাড়া হাসান গাজীর বাড়ির অদূরে নিয়ে ছুরিকাঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। যুবকের পা বেঁধে চটের বস্তার মধ্যে পুরে চরম সর্তকতার মধ্যে দিঘীর পশ্চিম উত্তর সুলতান আর্ট কলেজের পূর্ব পাশে দিঘীর মধ্যে ফেলে দেয়।উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইউসুফ হোসেন জানিয়েছেন,আটক হাসান গাজী পুলিশের কাছে নিহত যুবকের ঠিকানা শেখ হাটি ও নাম সোহাগ বলেছে।

শনিবার খুনী হাসান গাজীকে নিয়ে দিঘী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের পরনে বাদামী ধূসর বর্ণের কাপড়ের ফুল প্যান্ট ও গায়ে সবুজ রংয়ের ফুল হাতা জামা পরাছিল।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ সিকদার আকক্াছ আলীর কাছে উদ্ধারকৃত লাশের পরিচয় জানতে চাওয়া হলে তিনি সনাক্ত করতে পারেনি বলে জানান। প্রকৃত পক্ষে নিহত যুবকের সন্ধ্যান কেউ না করায় পরিচয় মেলেনি।তবে হাসান গাজীকে হত্যাকান্ডের ব্যাপারে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।অপরএকটি সুত্র বলেছে,উক্ত যুবককে ভাড়াটে হিসেবে হাসান গাজী ও তার সদস্যরা হত্যা করেছে। বিনিময় কিছু অর্থ পেয়েছে বলে সুত্রটি ধারনা করছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ মর্গে রয়েছে।নতুন কেউ আটক হয়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।