যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন বেনাপোল বাসির উন্নয়নের জন্য কাজ করব

মো: আনিছুর রহমান, বেনাপোল থেকে: বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি বেনাপোল ও এগিয়ে যাচ্ছে। পিতা যেমন তার সন্তানকে ভালবাসে আমি ও তেমনি আমার বেনাপোলকে ভালবাসি। বেনাপোলকে ভালবেসে শুন্য হাতে বেনাপোল পৌরবাসীর দায়িত্ব নিয়েছিলাম । নতুন সংসার পেয়ে অনেক সংকটের ভিতর ছিলাম। সংসারের অনেক চাহিদা ছিল কিন্তু তখন আমি সংসারের দায়িত্ব নিয়ে হাল ছাড়িনি।

আজ বেনাপোল পৌরসভা ১০০ ( একশত কোটি )টাকার উপরে সম্পদ হয়েছে। আমি আমার নির্বচনী ইশতেহারে যা বেনাপোল বাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা পুর্ন করে আরো বেশী কাজ করে যাচ্ছি যতদিন বেঁচে থাকব বেনাপোল বাসীর উন্নয়নের জন্য শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে কাজ করে যাব। বেনাপোল ৮ নং ছোট আচঁড়া  ওয়ার্ডবাসীর চাহিদা ও প্রত্যাশিত উন্নয়ন ও উন্নয়ন সম্ভাবনা মত বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসাবে কথা গুলো বললেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেযর আশরাফুল আলম লিটন।

শুক্রবার বেলা ৪ টার সময় ৮ নং ছোটআঁচড়া ওয়ার্ডে বাবু দিলীপ কুমার চক্রবর্তীর  সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথী বেনাপোল পোর্ট থানার  ওসি (তদন্ত) শামিম আহম্মেদ, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের, যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী, শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, বেনাপোল পৌর প্যানেল মেয়র শাহবুদ্দিন মন্টু, সুকুমার দেবনাথ, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আকুল হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক দিন ইসলাম প্রমুখ।

ছোট আঁচড়ার শান্তিপদ গাঙ্গুলি,সারথী রানী আব্দুল কাদের, দাবি করেন আমাদের বিদ্যুতের মিটার , পানি নিস্কাসন, বন্দরের ভিতরের ভারতীয় আমদানিকৃত   মাছের পানি গড়িয়ে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে  এ গুলো থেকে যাতে নিরসন পান তা মেয়রের কাছে দাবি করেন।

প্রধান অতিথী আশরাফুল আলম লিটন বলেন আমি আওয়ামীলীগের নিবেদিত নেতা এই ছোট আঁচড়ার  মরহুম কওছার মাষ্টারকে স্মরন করি। স্মরন করি সেই কমলমতি ৯টি শিশুদের যারা  পিকনিকে যেয়ে সড়ক দুর্ঘটানায় বাস উল্টে  অকালে ঝরে যায়।। তিনি বলেন এ শিশুদের জন্য আমি বেনাপোল পৌর মেযর হিসাবে মন্ত্রীদের দা¦রে দ্বারে ঘুরে প্রত্যেকটি পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে এনে দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন ছোট আচড়ার রাস্তা ঘাট বিদ্যুৎ নিয়ে যে, দাবি আছে তা অনতি বিলম্বে আমি পুরুন করার চেষ্টা করবো । ছোট আচাড়া বাসির ২৬ টি দাবির লিষ্ট নিয়ে তিনি ইঞ্জিনিয়ার দিপক কুমারকে নির্দেশ দেন আগমীকাল থেকে যেন যে সমস্থ ছোট খাট কাজ আছে সেগুলো কাজ কিভাবে করা যায় তা দেখতে। এ সময় তিনি আরো বলেন আপনারা যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছিলেন এলাকার উন্নয়নের জন্য। আজ তাকে এলাকার উন্নয়নের জন্য বেনাপোল পৌরসভায় পাওয়া যাযনা। আমি বাধ্য হয়ে আপনাদের এ ওয়ার্ডবাসির সুখ দু:খ চাওয়া পাওয়ার জন্য আজ আপানদের উন্নয়নের জন্য মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে অত্যান্ত আনন্দিত।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।