ধার শোধে বাবার সহায়তায় ১৩ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ, রাজি না হলে নির্যাতন

দি নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে এক বছর ধরে চলছে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ। মেয়েটি তার বাবার সাথে থাকে। মালিকের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকার ধার শোধ করতে হয় মেয়েকে দিয়ে।

হঠাৎ একদিন মেয়েটির বাসায় আসেন তার বাবার মহাজন মো. আবুল (৩৫)। তিনি এসে বারান্দার কক্ষে শুয়ে থাকেন। এ সময় কিশোরী মেয়েটিকে আবুলের কাছে যেতে বলেন তার বাবা। সে যেতে না চাইলে মারধর করে তাকে পাঠানো হয়। আর সেদিন আবুল ধর্ষণ করেন মেয়েটিকে। এরপর বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন আবুল। সব শেষ ধর্ষণ করেন গতকাল শনিবার।

গতকাল রাতে মেয়েটিকে উদ্ধার এবং তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মেয়েটি কামরাঙ্গীর চরে বাবার সঙ্গে একটি বাসায় থাকে। বাবা মো. আবুলের দোকানে কাজ করেন। বছরখানেক আগে আবুলের কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা ঋণ নেন মেয়েটির বাবা। সেই ঋণ শোধ করতে পারছিলেন না তিনি। একদিন তাঁকে আবুল বলেন, তাঁর মেয়ের সঙ্গে প্রেম করার সুযোগ দিলে টাকা ফেরত দিতে হবে না। এতে রাজি হন মেয়েটির বাবা। সেদিনই আবুল তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সহায়তায় মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

এভাবে মেয়েটিকে তার বাবার সহায়তায় এক বছর ধরে নির্যাতন করে আসছিলেন আবুল। বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ভাবিকে জানায় মেয়েটি। পরে ভাবির স্বামী পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহযোগিতা চান। গতকাল রাতে কামরাঙ্গীর চর থানার পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং তার বাবাকে আটক করে থানায় নেয়। রাত ২টার দিকে মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।

কামরাঙ্গীর চর থানার উপপরিদর্শক মো. মোর্শেদ আলী জানান, এ ঘটনায় মেয়েটির ওই ভাবির স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত মো. আবুলকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।