× Banner
সর্বশেষ
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র আক্রমণ ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, গুলশানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী

মেহেরপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের আমেনা খাতুন হত্যা মামলায় স্বামী জুলফিকার আলীর যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। অপরদিকে গাংনী উপজেলার রামনগনর গ্রামের নাছিরউদ্দীন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুল আলিমের পাঁচ বছর কারাদ- দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে দু’টি মামলার রায় ঘোষণা করেন স্ব-স্ব আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। দ-প্রাপ্ত আসামিদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আমঝুপি গ্রামের জুলফিকার আলী ২০০৩ সালের ২৫ এপ্রিল মধ্যরাতে স্ত্রী আমেনা খাতুনকে গলাকেটে হত্যা করে বাড়ির অদুরবর্তী মাঠের একটি আম বাগানে ফেলে রেখে আসে। আমেনার পিতা একই গ্রামের আওলাদ হোসেন বাদি হয়ে স্বামীসহ তার পরিবারের পাঁচজনের নামে পরদিন সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) খাইরুল আলম তদন্ত করে চার আসামিকে বাদ দিয়ে আমেনার স্বামীর নামে চার্জশিট প্রদান করেন। সাক্ষিদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ রবিউল হাসান। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পল্লব ভট্রাচার্য।

অপর দিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল গাংনী উপজেলার রামনগর গ্রামে দু’ক্ষের সংঘর্ষে নাছিরউদ্দীন নামের এক যুবক নিহত হন। পরদিন নিহতের পিতা আনারুল ইসলাম বাদি হয়ে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের আব্দুল আলিমকে প্রধান আসমি করে পাঁচজনের নামে গাংনী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গাংনী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম পাঁচ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট দিলে ২০১১ সালের ২৫ এপ্রিল চার্জ গঠন করেন আদালত। ১৭ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ওই মামলার রায় দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক টি এম মুসা। বাকি  আসামিদের বেকসুর খালাস দেন আদালত।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..