চলতি বছরের ১৭ মার্চে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ বা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান শুরু হবে । ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ বছরব্যাপী চলবে এ অনুষ্ঠান।
বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও মুজিববর্ষের নানা অনুষ্ঠান হবে। দেশে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে জেলা-উপজেলায় থাকবে নানা আয়োজন। এর বাইরে সারা বছর জাতীয়ভাবে পালিত দিবসগুলোতেও থাকবে মুজিবর্ষের ছোঁয়া।
যেমন ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার দিবস, ৭ জুন ছয় দফা দিবস, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, বঙ্গবন্ধুর ‘জুলি ও কুরি’ পদকপ্রাপ্তি দিবস, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে থাকবে আলোচনা সভা, সেমিনারসহ নানা আয়োজন। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পালন করা হবে জাঁকজমকভাবে।
আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চলতি বছরের ২৩ জুন রাজধানীর ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগস্ট মাসজুড়ে থাকবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি ও আওয়ামী লীগের নানা আয়োজন।
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেয়া হয়। দিনটি স্মরণে আগামী বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এরপর ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন থেকে সাত দিনের কর্মসূচি ও জয় বাংলা কনসার্টের আয়োজন করা হবে।
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। দিনটি স্মরণে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা এবং বাংলাদেশেও আলোচনা ও সেমিনার হবে। ওইদিন টেলিভিশন, বেতার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি প্রচার করা হবে।



