× Banner
সর্বশেষ
সবার সঙ্গে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন করবে সরকার – তথ্যমন্ত্রী মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে মান্দায় বিলে ডুবে নারীর করুণ মৃত্যু বেনজীরের জামিন বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান ৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নাশকতা করার সক্ষমতা নেই – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ডলার সহায়তা ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত তথ্য রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কাজ করছে – তথ্যমন্ত্রী

দেবাশীষ মুখার্জী : কূটনৈতিক প্রতিবেদক

মিহির স্বরূপ শর্মার অভিমত : আদানি গ্রুপ ডুবলে সমস্যায় পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতি

Ovi Pandey
হালনাগাদ: রবিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩
adani group

অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো ও ব্লুমবার্গ নিউজের কলামিস্ট ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, মিহির স্বরূপ শর্মা, ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে লিখেছেন : গবেষণা সংস্থা হিনডেনবার্গের তথ্য থেকে জানা গেছে, নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ আদানি সাম্রাজ্যের ভিত্তি আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ঋণের ভারে ভারাক্রান্ত এবং এই গ্রুপটির অর্থায়নের চূড়ান্ত উৎসটি উল্লেখযোগ্যভাবে অস্বচ্ছ। নরেন্দ্র মোদির সরকার আদানির কোম্পানিগুলোকে শুধু যে ভারতের পরিকাঠামোর বিস্তৃত অংশের দায়িত্ব দিয়েছে, তা নয়। তারা সেই সব খাতের অংশীদার হিসাবেও সরকারের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে সেই সমস্ত খাতকে, যেগুলোকে ভারতের শিল্পনীতি-নির্ধারকেরা ভারতের প্রবৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গৌতম আদানির কোম্পানিগুলো যদি প্রতিশ্রুতি পূরণেও ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিনিয়োগকারীরা যা হারাবে, তার চেয়ে অনেক বেশি হারাবে ভারত। সেই ব্যর্থতার হাত ধরে আদানি নিজের পতনের সঙ্গে ভারতের শিল্প নীতিকেও তলানিতে নিয়ে যাবেন। আদানির ওপর ভরসা করে যে কোম্পানিগুলো বাজি ধরেছে শুধু তারা নয়, এর জের ভারতের ব্যাংক, ভারতের রাজনীতিবিদ এবং সর্বোপরি ভারতের নাগরিকদের জের টানতে হবে।
মিহির স্বরূপ শর্মা আরও লিখেছেন, আদানির শেয়ার সাধারণত এমন সূক্ষ্ম ও স্থিতিশীলভাবে লেনদেন হয়, খুব কম লোকই বিশ্বাস করতে চাইবে যে, আদানির কোম্পানিগুলো খুচরা বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করতে শুরু করেছে। এমনকি সরকারি খাতের ব্যাংক এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমা কোম্পানি উভয়ই – আদানি গ্রুপের নামে সর্বস্ব খাঁটিয়ে অবলীলায় বাজি ধরে বসে আছে। সরকারি খাতের ব্যাংক, পেনশন তহবিল, দেশের বাইরে থাকা অজ্ঞাতনামা মূলধন- যেখান থেকেই অর্থ আসুক না কেন, ভারতের প্রবৃদ্ধির জন্য যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো – সেই অর্থ কতটা উৎপাদনশীলভাবে ব্যয় করা হচ্ছে। কার্যকর অলিগার্করা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তারা একটি দেশের জন্য কতটা বিপজ্জনক হতে পারে -সেটা জানতে রাশিয়ার দিকে তাকাতে পারেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..