মহাষ্টমীতে দেবী জ্ঞানে কুমারীর আরাধনা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমী পূজা ও কুমারী পূজায় উপচে পড়া ভীর লেগেছিলো রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে ও চট্টগ্রামের পাথরঘাটা শ্রী শ্রী শান্তনেশরী মাতৃমন্দিরে।

গতকাল রবিবার শ্রীশ্রী দুর্গোৎসবের তৃতীয় দিনে মহাষ্টমী তিথিতে শুদ্ধাত্মা কুমারীকে দেবী জ্ঞানে আরাধনা করেন সনাতন ধর্মের অনুসারীরা।

মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে তার পুজো করা হয়। আবার সপ্রাণ মানব মানবীকেও দেব দেবী জ্ঞানে পুজোর রীতি বহু কাল ধরেই চলে আসছে। এ দেশের কোনও কোনও ধর্মাচরণে তো ঈশ্বরের বাস মানবদেহেই। দেহ মন্দিরের বাইরে অন্য কোনও মন্দিরের অস্তিত্ব স্বীকার করেন না অনেকে।

কুমারী পুজো হল দেহ মন্দিরে বাস করা শুদ্ধাত্মার পুজো। প্রকৃতি পুজোর এই রূপেরও কিছু নিয়ম কানুন আছে। কুমারী অর্থাত্ অরজঃস্বলা প্রকৃতি পুজোই বিধান। তাকেই পুজো করা হয় মাতৃজ্ঞানে। কুমারী মেয়ের বিশুদ্ধতাই তাকে দেবীর সমান আসনে বসার বিধান দেয়।

তা ছাড়া যে উমা বাপের ঘর ছেড়ে শিবের ঘরণি হয়েছিল, তার বিয়ের আগের কুমারী রূপ কি ভুলে যেতে পারে মর্ত্যের আত্মীয়রা! দেবীর বছর বছর ফিরে আসার দিনে এক দিন সেই কুমারী পার্বতীকেও স্মরণ করা যেন।

১৯০১ সালে বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর প্রচলন করেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেই থেকে চলে আসছে এই প্রথা।

চট্টগ্রাম জেলার পাথরঘাটা শ্রী শ্রী শান্তনেশরী মাতৃমন্দিরের উদ্যোগে শ্রীমৎ শ্যামল সাধু মহন্ত মহারাজের পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত হলো মহাষ্টমী বিহীত পূজা এবং কুমারী মায়ের পূজা।

এবার চট্টগ্রামের কুমারী পূজায় কুমারী মা হিসেবে আসন অলংকৃত করেন ডাঃ বাসুদেব দে ও ডাঃ রুবী দাশের একাদশবর্ষীয় কন্যা বিনতা দে।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।