গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: শত বছরের পুরোনো মসজিদের ১শ গজের মধ্যে নতুন করে আরেকটি মসজিদ নির্মান করায় একই সমাজের একাধীক বংশধরেরা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। মসিজদে সালাত আদায় করা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি, বিয়ে সাধী, সামাজিক অনুষ্ঠান বর্জন ও সংঘর্ষের রুপনেয়। ঘটনাটি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কান্ডপাশা গ্রামে।
জানা গেছে ওই ভাগ হওয়া সমাজকে একত্রিত করন চেষ্টা করা হয়েছে একাধিক বার। স¤প্রতি কিছু যুবক স্ব-উদ্যোগী হয়ে বিরোধ মিটাতে এগিয়ে আসেন। দু সমাজের মুরব্বিদের কোনো ভাবেই বুজাতে পারছিল না যুব সমাজ। দুপক্ষের অভিযোগ ও বিবাদ মিটাতে সমাজের মুন্সিপাড়ার পূরনো মসজিদের সভাপতি লন্ডন প্রবাসী মো.সাইফুল ইসলাম রুমী ও কাজীপাড়া মসজিদের সহ সভাপতি সৌদী প্রবাসী কাজী কামাল এর মধ্যস্থ্যতায় ২ মাস পূর্বে শুক্রবার দিন ধার্য করে শালিস মিমাংশায় বসানো হয়। মিমাংশায় কাজীপাড়া জামে মসজিদকে হেফজখানা ও পুরোনো জামে মসজিদে (মুন্সিবাড়ী জামে মসজিদ) সালাত আদায় হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। এসিদ্ধান্তকে মানতে নারাজ (কাজী বংশ)একপক্ষ। সমাজের চলাচল করার মূল সড়কে বাশ ও কাঠ দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে বলে অভিযোগ করেন ভুইয়া বংশ।
রুবেল ভুইয়া অভিযোগ করে বলেন, সমাজের সকল শ্রেনী ও বংশের সিদ্ধান্ত মেনে আমরা পূরনো মসজিদে সালাত আদায় করতে গেলে কাজী বংশের লোকেরা আমাদের বাড়ির আঙ্গিনার সড়কে ছালাম কাজীর পিতা লতিফ কাজী, মাস্টার আব্দুল কালাম কাজীর পিতা লতিফ কাজী, বাদল কাজীর পিতা ইউনুস কাজী, হালিম কাজীর পিতা সালাম কাজী গংরা কাঠ বাশ দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অভিযোগে আরও জানাগেছে এঅবস্থার সঠিক সমাধান না হলে অচিরেই বড় রকমের সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





