আমরা ভারতের যে কোনও ধরনের আক্রমণের জবাব দিতে প্রস্তুত। কাশ্মীরের মানুষকে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দিয়ে যাব।” ভারত যে কোনও রকম আক্রমণ করলে পাকিস্তান জবাব দেবে। একইসঙ্গে ভারতের বিরুদ্ধে বার্তাও দিয়েছেন তিনি।
রবিবার ইসলামাবাদের বিশেষ বৈঠকের পর এমনটাই বললেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
এদিন ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারভেজ খটক, বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি, মন্ত্রী ইজাজ শাহ ও দেশের তিন বাহিনীর প্রধান, আইএসআই চিফ ও অন্যান্য আধিকারিকরা।
বৈঠকের পর ইমরান খানের অফিস থেকে একটি বার্তা দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, ”
এদিকে, সোমবার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু ইতিমধ্যে মোদীর বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং এনএসএ অজিত দোভাল।
সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হওয়ার আগে মোদীর নেতৃত্বে চলছে উচ্চ পর্যায়ের আরও একটি বৈঠক। যে বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং এনএসএ। এই বৈঠকের পরেই সাড়ে ৯টা থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে। এক এক করে সেখানে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা।
জানা যাচ্ছে, এদিনের এই বৈঠক থেকে কাশ্মীর ইস্যুতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সন্ত্রাসবাদ একেবারে কাশ্মীর থেকে নিমুল করতে বড়সড় অভিযানও চালানোর নির্দেশ সরকার দিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে, যেভাবে পিছনে থেকে পাকিস্তান কাশ্মীরে লাগাতার সন্ত্রাসবাদকে প্রশয় দিয়ে যাচ্ছে তা নিয়েও বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকার নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
রবিবারই ভারতের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়েছেন ইমরান খান। ট্যুইট করে ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে বার্তা দেন ইমরান খান। তিনি লিখেছেন, ‘সীমান্ত পার করে ভারত যে হামলা চালাচ্ছে, তার প্রতিবাদ জানাই।’ ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশের পরও ইমরান খানের দাবি, ১৯৮৩-র চুক্তি ভঙ্গ করে বোমা ফেলেছে ভারত। এই ঘটনা বিশ্বশান্তির পরিপন্থী বলে, রাষ্ট্রসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা বলেছেন তিনি।
তাঁর দাবি, কাশ্মীর নিয়ে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে ভারত। ট্যুইটে ইমরান ফের সেই মধ্যস্থতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেই প্রস্তাব মেনে নিলে হয়তো এই পরিস্থিতিতে পড়তে হত না ভারতকে। এই ভাবে একেবারে যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো চরম পদক্ষেপের মধ্যে পড়তে হত না ভারতকে। শনিবারই পাক অনুপ্রবেশের ছক বানচাল করে জঙ্গিদের মৃতদেহের ছবি প্রকাশ্যে এনেছে ভারতীয় সেনা। সীমান্তে নিহত হয়েছে ৭ অনুপ্রবেশকারী।





