× Banner
সর্বশেষ
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’ প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ গুনভর ইউএসএর কাছ থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন

Dutta
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এই রোগ বহু পূর্ব থেকেই ছিল এবং এটা ছোঁয়াচে নয়। এটা এমন একটা জীবাণু বা ফাঙ্গাস যা  সর্বব্যাপী- মাটি, পানি ও বাতাসে ছড়িয়ে থাকলেও সংক্রমণ ক্ষমতা খুবই কম। এই ছত্রাক প্রাণীদের বিষ্ঠায়, বাসী খাবার, বাসী ফল, দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত খাদ্য সামগ্রী, অপরিস্কার মাস্ক, অক্সিজেন ও আইসিইউ এর হিউমিডিফায়ারের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। তবে সুস্থ মানুষের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  কিন্তু কোনো কারণে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেই কেবল এই সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে- যেটা ১ লাখে ২০ থেকে ৩০ জন হতে পারে। যারা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভুগছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদির ধরে ভুগছেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী, অতিরিক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, অন্তসত্ত্বা মহিলা, অত্যাধিক স্টেরয়েড গ্রহণ করা রোগী, কিডনি বা অন্য অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা রোগী এবং চরম অপুষ্টিজনিত রোগীদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ব্লাক ফাঙ্গাস এর রাইনো অরবিটাল সেরিব্রাল ধরণটি নাক দিয়ে ঢুকে চোখ ও মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে। এই রোগের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে লাইপোসোমাল এমফোটেরিসিন-বি ইনজেকশনের পর্যাপ্ত যোগান নিশ্চিত করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ইং তারিখে মাননীয় উপাচার্য মহোদয় তাঁর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মানিত ডীনবৃন্দের সাথে ও ডা. মিল্টন হলে বাংলাদেশ অকুলোপ্ল্যাস্টিক সার্জনস সোসাইটির সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এবং সি ব্লকে অনুষ্ঠিত চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এসব কথা বলেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার ডা. মিল্টন হলে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ মহোদয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যায় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পারস্পরিক সহযোগিতায় গবেষণামূলক কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি,  করোনা ভাইরাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে চলমান গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নেয়াসহ বহুবিধ আলোচনা হয়। এসকল সভায়  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ডেন্টাল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, প্রিভেনটিভ এ্যান্ড সোসাল মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক সৈয়দ শরীফুল ইসলাম, বেসিক সাইন্স অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. খন্দকার মানজারে শামীম, মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মাসুদা বেগম, সার্জারি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোস্তফা জামান, ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ ডা. মোহাম্মদ জামশেদ, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ডা. মোঃ হারিসুল হক, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, বাংলাদেশ অকুলোপ্ল্যাস্টিক সার্জনস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. গোলাম হায়দার, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোল্যারিংগোলজি হেড এন্ড নেক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ জাফর খালেদ, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, মাইক্রোবায়োলজি এন্ড ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ, পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আতিকুল হক, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ খালেকুজ্জামান, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. নিরুপম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিলেন ১৮৮ জন
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে আজ বৃহস্পতিবার  ২৭ মে ২০২১ইং তারিখে চলমান কঠোর লকডাউনের মাঝেও মোট ১৮৮  জন কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন। গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫ শত ৬৪ জন এবং আজ বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ইং পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৩ হাজার ৬২ জন। এদিকে বেতার ভবনের পিসিআর ল্যাবে আজ বৃহস্পতিবার ২৭ মে  ২০২১ইং পর্যন্ত পর্যন্ত ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬ শত ৫৪ জনের কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়েছে। বেতার ভবনের ফিভার ক্লিনিকে আজ বৃহস্পতিবার ২৭ মে  ২০২১ইং পর্যন্ত ৯৭ হাজার ২ শত ১৬ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। অন্যদিকে করোনা ইউনিটে আজ বৃহস্পতিবার ২৭ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮ হাজার ৯ শত ১ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৯ শত ৩৫ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪ হাজার ২ শত ৭ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৫৬ জন রোগী এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ৭ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪ জন। ছবি: মোঃ আরিফ খান। নিউজ: প্রশান্ত মজুমদার। সার্বিক তত্ত্বাবধানে মিডিয়া সেল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..