বেঁচা-বিক্রি নাই, তাই শুয়ে আছি ভাই

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঈদের আর মাত্র ৩ দিন বাকী। তবে এখনও জমেনি ঝিনাইদহের ঈদ মার্কেট গুলো। বসে, শুয়ে দিন পার করছে ব্যবসায়ীরা।

ঈদকে সামনে রেখে জমকালো পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। তবে বিকিকিনি না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে দোকানি। শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলী সড়ক, মুন্সী মার্কেট, বিবি রোড, নিউমার্কেট, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটে, বিভিন্ন বিপনী বিতান এমনকি ফুটপাতগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে।
চোখে পরেনি ক্রেতাদের তেমন আনাগোনা। ফলে অলস এবং হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে যে পরিমাণ বিক্রি হয় এবার তা হচ্ছে না। কিছু ক্রেতার আনাগোনা থাকলেও বেচাকেনা একেবারেই নেই বলে জানিয়েছে দোকানিরা। নিউ এস ব্রার্দাস এর স্বত্তাধীকারি আমল কর্মকার জানান, আজ শুত্রুবার ছুটির দিন আমার দোকানে বেচাকেনা নেই। বসে বসে অলস সময় কাটাচ্ছি। আশার করছিলাম ঈদের আজে বেচাকেনা ভালো হবে কিন্তু কোন ক্রেতা নেই।

শাহিন গার্মেন্টস এর কর্মচারী মিঠু হোসেন বলেন, গত বছর কোরবানির ঈদে ভালো বেচাকেনা হয়েছিল। সে তুলনায় এবছর কোন বিক্রি নাই। আমরা বসে দিন কাটাচ্ছি।

ব্যবসায়ী আফাঙ্গীর হোসেন জানান, এবছর বেচাকেনা না থাকায় কর্মচারীদের বেতন, বোনাস আনাগোনা একেবারেই কম।

সিট হাউজের স্বত্তাধিকারী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এবছর কৃষকের হাতে টাকা কম থাকায় পোশাক বিক্রি কম হচ্ছে। কিছু চাকুরীজীবি ও বড় বড় ব্যবসায়ীরা কমবেশি কাপড় কেনাকাটা করছে। সাধারণ মানুষের আনাগোনা যে কারণে কম।

ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে শুয়ে থাকতে দেখে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “দেশের মানুষের হাতে টাকা দিতে সমস্যা হচ্ছে। আশা করেছিলাম ঈদের কয়েকদিন আগে ভালো বিক্রি হবে কিন্তু ক্রেতাদের নেই ভাই। বেচা-বিক্রি প্রায় বন্ধ। লোকজন আসছে না তাই শুয়ে আছি। কি করবো বলেন” পণ্যের দাম বেশি আরও সাধারণ মানুষের হাতে টাকা না থাকায় এবছর বেচাকেনায় ধ্বস বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।