× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

বিয়ে নিয়ে কিছু অপ্রিয় সত্য কথা

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে এই তিনটি বিষয় নিয়ে নাকি মানুষের জীবন। তবে জন্ম ও মৃত্যু নিয়ে মানুষ যতটা না ভাবে, বিয়ে নিয়ে তারও অধিক ভেবে থাকে। আর এই বিয়ে বা বিবাহিত সম্পর্ক নিয়ে একেকজনের ভাবনা একেক রকম। কেউ বিয়ে বিষয়টা ইতিবাচক হিসেবে দেখে কেউ বা নেতিবাচক। বিয়েটা কারো কাছে ভয়ের কারণ, আবার কারো কাছে উপভোগ্য। সবকিছুই নির্ভর করছে বিয়ের সম্পর্কটির ব্যাপারে কে কতটা শ্রদ্ধাশীল, দায়িত্বশীল এর ওপর। তাই বিবাহিত জীবন কেমন হবে তা নির্ভর করে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ওপর। তবে তাদের অবশ্যই জানতে হবে বিয়ে নিয়ে কিছু অপ্রিয় সত্য কথা।

বিয়ে নিঃশর্ত ভালোবাসার নিশ্চয়তা দেয় নাঃ
মানুষ ২৪ ঘণ্টাই একে-অপরের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করে না। কিছু সময় থাকে যখন ভালোবাসা উপলব্ধি করা যায় না। কেননা, তখন হয়তো ভালোবাসা উপলব্ধি করার সময় নয়। এটাই বিয়ে, ভালোবাসা নয়। তবু তারা বিবাহিত।

বিয়ে সব সমস্যা সমাধান করবে নাঃ
কিছু দম্পতি অনেক সময়ই মনে করে বিয়ের পর অন্য ব্যক্তিরা তাদের সব সমস্যা ঠিক করে দেবে, তাদের সুখী করবে, পুরোপুরি সমর্থন যোগাবে, তাদের সব কাজ উপভোগ করবে এবং নিঃশর্ত ভালোবাসা দেবে এটি একদমই ভুল ধারণা। আর আপনি যদি এসব বিশ্বাস করে বিয়েতে জড়ান তাহলে মনে রাখবেন আপনার জন্য কষ্ট অপেক্ষা করছে।

স্বাভাবিক বিয়ে বলতে কিছু নেইঃ
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া কোনটা ভালো, কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা গ্রহণযোগ্য বা নয় তা বিয়ের ক্ষেত্রে আদর্শ মানদণ্ড বলতে কিছু নেই। বিয়ের পর কী করা উচিত, কী উচিত নয় তা কেউই বলে দিতে পারে না। এটাই পুরোই আপনার দায়িত্ব কীভাবে বিবাহিত সম্পর্কটা রক্ষা করবেন বা চালিয়ে নিবেন। কারো কাছ থেকেই আপনি এ বিষয়ে সঠিক উত্তর পাবেন না। তাই জানতে না চাওয়াটাই ভালো।

বিবাহিত সম্পর্ককে সফল করতে একাধিক ব্যক্তির প্রয়োজনঃ
একটি বিবাহিত সম্পর্ক উন্নয়নে বন্ধু এবং পরিবারের বিশেষ সমর্থনের দরকার রয়েছে। একটি বৈবাহিক সম্পর্ক সফল করতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারো না কারো হস্তক্ষেপের দরকার হয়। সবসময় নিজেদের ব্যপারে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে নেই।

ত্যাগ বা ছাড় দেয়া গুরুত্বপূর্ণ অংশঃ
ভালোবাসা কিংবা বিবাহিত যে সম্পর্কই হোক না কেনো ত্যাগ বা ছাড় দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আবার ত্যাগ বা ছাড় দেয়া কোনো কাজে দেবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না বিবাহিত সম্পর্কটি আপনার কাছে গুরুত্ব না পাচ্ছে। আপনি কখন ঝগড়া করবেন, কখন চুপ থাকবেন এটা বোঝাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..