× Banner
সর্বশেষ
বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই সিরাজগঞ্জে ওভারপাসে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনা, বাসচালকসহ নিহত ২ যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় ৩০০ শিশু নিহত

বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর যে মানদণ্ড স্থাপন করেছে, তা শুধু আগামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নয়, বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে-সেটিও নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ (শনিবার) সকালের অধিবেশনের শুরুতে সংসদে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

পরে স্পিকার প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর ছিল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশের সঙ্গে বিশে^র প্রত্যেকটি দেশের সম্পর্ক হবে অন মিউচুয়াল রেস্পেক্ট, অন মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট এবং ওয়ান অফ নন-ইন্টারফেয়ারেন্স। আর স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি হবে আমাদের নিজস্ব অটোনমির ভিত্তিতে।  প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেটিই প্রমাণ করেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাজনীতিতে সবসময় বিএনপির যে বেঞ্চমার্ক ছিল, তারেক রহমান আবারও সেটি নিশ্চিত করেছেন। এটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে সেই মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই।

তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের শ্রমবাজারের একটা বড় ইন্টারেস্ট রয়েছে। এনার্জি এবং অন্যান্য ট্রেড ইন্টারেস্টও রয়েছে। আছে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন্টারেস্টও। আমাদের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সহযোগিতার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বানিজ্য অংশীদার। তাই দেশটির সঙ্গে বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে কীভাবে আমরা রপ্তানি আরও বাড়াতে পারি সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

আমির খসরু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতির সূচনা করেছেন। কারণ তিনি বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় বা ফেরার পর এয়ারপোর্টে হাজার হাজার লোক সংবর্ধনা দিতে যায়নি। এটা বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্যও এটি একটি বড় পরিবর্তন। আগামী বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হবে প্রধানমন্ত্রী সেটিরও মানদণ্ড স্থাপন করেছেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..