× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ডেস্ক

নিখোঁজের ১৩ দিন পর  বিল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
বিল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ

নিখোঁজের ১৩ দিন পর  বিল থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) ওই বিল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তি তারাকান্দা উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের মৃত হাসেন আলীর ছেলে বাবুল মিয়া (৪৫)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নেত্রকোণার পূর্বধলার মহিষবেড় গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে শাহজাহান মিয়া (৪৫) ও তার স্ত্রী সখিনা বেগম (৪০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাবুল গত ২৪ আগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের পর আশপাশের অনেক এলাকা ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বেশ কয়েক দিন খোঁজাখুঁজি করে পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে কোথাও খোঁজ না পেয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর বাবুলের ছেলে সোহেল বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

এদিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের তুরাগ এলাকা থেকে শাহজাহান ও তার স্ত্রী সখিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে সেখান থেকে তারাকান্দা থানায় এনে শাহজাহান ও সখিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাবুলকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার কথা স্বীকার করেন। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বিল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।

গ্রেপ্তাকৃতদের বরাত দিয়ে ওসি আবুল খায়ের জানান, বাবুল গ্রেপ্তারকৃত সখিনার ফুফাতো ভাই। সখিনার সঙ্গে বাবুলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্পর্কের বিষয়টি সখিনার স্বামী শাহজাহান টের পেয়ে বাবুল ও সখিনাকে সতর্ক করে দেন। পরে বাবুল বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। এরপরও সখিনাকে বিরক্ত করতেন বাবুল। এ অবস্থায় কোনো উপায় না পেয়ে বাবুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে সখিনা ও তার স্বামী। পরে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৪ আগস্ট মোবাইলে বাবুলকে ডেকে সিধলং বিলের কাছে ডেকে নিয়ে যান সখিনা। এ সময় বাবুল সেখানে যেতেই স্বামী-স্ত্রী মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার জন্য পাটের বস্তায় ভরে বিলের মাঝখানে পুতে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। ইতোমধ্যে নিহত বাবুলের ছেলে সোহেল মিয়া বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..