× Banner
সর্বশেষ
গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার

পিআইডি

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন সহজ করতে জাতীয় কমিটির সুপারিশমালা চূড়ান্ত

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন সহজ

বাংলাদেশের রিপ্যাট্রিয়েশন (প্রত্যাবর্তন) কাঠামো সহজ, গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে Repatriation of Sale Proceeds in Private and Public Limited Companies সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কার সুপারিশমালা চূড়ান্ত করেছে।

 বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ ব্যাংক, UNDP এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এই জাতীয় কমিটি একাধিক ধাপে কারিগরি আলোচনা সম্পন্ন করে। এরপর ভ্যালুয়েশন বিশেষজ্ঞ, মার্চেন্ট ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আইনজীবীদের পরামর্শের ভিত্তিতে কমিটি চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে।

১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বিডা’র নির্বাহী সদস্য ও জাতীয় কমিটির প্রধান নাহিয়ান রহমান রোচি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাছে সুপারিশ উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যানের নির্দেশে এই জাতীয় কমিটি গঠিত হয়, যার মূল দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জসমূহ পর্যালোচনা করে একটি আধুনিক ও কার্যকর সংস্কার প্রণয়ন করা। মূল সুপারিশসমূহ হল:

  • বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর যাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া প্রত্যাবর্তনের অধিকাংশ কেইস প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে সেই লক্ষ্যে repatriation approval threshold এর উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রয়োজন।
  • সময়াবদ্ধ প্রত্যাবর্তন সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সেবার ক্ষেত্রে Service Level Agreements (SLA) প্রবর্তন।
  • দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে নথিপত্রের পরিমাণ কমিয়ে, সমসাময়িক ও বৈশ্বিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যায়ন মানদণ্ড যুক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নির্দেশিকাগুলো হালনাগাদ করা।
  • জটিল/বিতর্কিত কেস নিষ্পত্তি ও ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য প্রত্যাবর্তন পর্যালোচনা কমিটি গঠন।
  • দ্রুত সম্প্রসারিত হয় এমন ব্যবসা ও স্টার্টাপের জন্য পৃথক নীতিমালা ও মূল্যায়নের কাঠামো প্রণয়ন করা (২০২৬-এর ১ম তিন মাসের মধ্যে)।
  • মূল্যায়ন করে এমন কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্স ও সনদ প্রদানের লক্ষ্যে দীর্ঘ মেয়াদে National Valuation Certification Authority প্রতিষ্ঠা।
  • Authorized Dealer (AD) ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও জনবল বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এ বিষয়ে বলেন, আধুনিক এবং বিনিয়োগবান্ধব আর্থিক পরিবেশ গড়ার আমাদের যে অঙ্গীকার তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে এই সুপারিশসমূহে। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে নির্ভরযোগ্য ও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

 বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। এই কাঠামোটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দ্রুত সেবা নিশ্চিত করবে যেটি বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..