× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

বিএসএমএমইউয়ে ১১১ চিকিৎসকের চাকরির বিষয় জানতে চায় আপিল বিভাগ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৬

নিউজ ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ১১১ চিকিৎসকের মধ্যে যোগ্যদের কিভাবে চাকরিতে রাখা যায়, তা জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিষয়টি আগামী রোববারের মধ্যে বিষয়টি অবহিত করতে বলা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত লিভ টু আপিল খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের করা রিভিউ আবেদনের শুনানিকালে সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনকারী চিকিৎসকদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, কামরুল হক সিদ্দিকী, এ এম আমিন উদ্দিন ও শরীফ ভূঁইয়া। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

পরে আইনজীবী শরীফ ভুঁইয়া জানান, আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এসব চিকিৎসককে নিয়োগ দেয়া হলেও হাইকোর্টের রায়ে তা প্রতিফলিত হয়নি। রায়ে বলা হয়েছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এসব পদ তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া এসব চিকিৎসককে নিয়োগের সময় রিটকারী সিন্ডিকেটে ছিল সেই বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, মূলত এসব কারণেই ১১১ জন চিকিৎসক লিভ টু আপিল খারিজাদেশের বিরুদ্ধে পৃথক ৫টি রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন। সেই আবেদনগুলো একত্রে শুনানিকালে আজ আদালত তাদেরকে চাকরিতে কিভাবে রাখা যায় তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জানাতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম সিন্ডিকেটে ২০০ জন মেডিকেল অফিসারের পদ সৃষ্টি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৮ অক্টোবর কিছু সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়।

সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে স্বাচিপের তৎকালীন মহাসচিব ইকবাল আর্সলান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে আদালত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিয়োগ সংশোধন সাপেক্ষে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, নিয়োগকৃত চিকিৎসকের সংখ্যা যেন দুই শ’র বেশি না হয়।

পরে ২০০৬ সালের ১ মার্চ ১৯৪ শিক্ষককে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা এর পরের দিন কাজে যোগ দেন। ২০০৮ সালে সিন্ডিকেটে ১৭৪ জনকে চাকরিতে স্থায়ী করা হয়। ওই স্থায়ীকরণের সময় রিটকারী ইকবালও সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন বলে জানান আবেদনকারী চিকিৎসকরা।

তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের পর চিকিৎসকদের অজান্তেই রুল ২০১০ সালের ১৪ ডিসেম্বর এ-সংক্রান্ত রিটের প্রেক্ষাপটে জারি করা রুল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই চিকিৎসকদের নিয়োগ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অবৈধ ঘোষণা করেন।

এই মামলায় পক্ষভুক্ত হয়ে ১৭০ জন চিকিৎসক চেম্বার জজ আদালতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চান। চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে লিভ টু আপিল করতে বলেন। পরে ২০১১ সালে লিভ টু আপিল করেন চিকিৎসকরা। সেই আপিল চলতি বছর ২২ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

গত ১২ জুলাই লিভ টু আপিল খারিজ করে দেয়া রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এরপর আপিলের খারিজাদেশের বিরুদ্ধে ১১১ চিকিৎসক রিভিউ আবেদন করেন। সেই রিভিউ আবেদনের শুনানিকালে আদালত এই আদেশ দেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..