× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

বাবুনগরীকে আহ্বায়ক করে হেফাজতে তিন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

Dutta
হালনাগাদ: সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
https://thenewse.com/wp-content/uploads/Hefazat-Islam.jpg

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে সদ্য সাবেক আমির জুনায়েদ বাবুনগরীকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আহ্বায়কক কমিটির অন্য দুজন হলেন— মহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও নুরুল ইসলাম জিহাদী।

রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নতুন কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর সাড়ে তিন ঘণ্টা আগে কমিটির বিলুপ্তি ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

মহিবুল্লাহ বাবুনগরী আগের কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আর নুরুল ইসলাম মহাসচিব ছিলেন। মহিববুল্লাহ বাবুনগরী জুনায়েদ বাবুনগরীর মামা।

দেশের বিভিন্ন জেলায় সম্প্রতি তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর এ সংগঠনটি নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

একে একে গ্রেফতার হন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। সবশেষ এবার সংগঠনটির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার হাটহাজারী মাদ্রাসায় এক সভা শেষে এ ঘোষণা দেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতির বিবেচনায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের পরামর্শক্রমে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।

আগামীতে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে আবার হেফাজত কমিটির কার্যক্রম শুরু হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমীর এবং নূর হোসাইন কাসেমীকে মহাসচিব করে ঘোষণা করা হয়েছিল ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট হেফাজতে ইসলামের এ কমিটি।

আল্লাম আহমদ শফি হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতাকালীন আমীর হলেও এই কমিটিতে তার সব অনুসারীকেই বাদ দিয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী।

এমনকি আল্লামা আহমদ শফি মারা যাওয়ার মাত্র দুমাসের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটি গঠনের কয়েকমাসের মধ্যেই মারা যান মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী। এরপর সংগঠনটির পুরো নেতৃত্ব নিয়ে নেয় যুগ্ম মহাসচিব এবং খেলাফত মজলিস নেতা মামুনুল হক।

প্রথমে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি তুলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

সর্বশেষ গত ২৬ শে মার্চ দেশজুড়ে ব্যাপক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন হেফাজত ইসলামের অংশটি। পরে ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্ট থেকে নারীসহ স্থানীয় জনগণ মামুনুল হককে আটক করে।

আর মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ড নিয়ে হেফাজত চরম বিপর্যয়কর অবস্থায় পড়ে। এর মধ্যে ১৮ এপ্রিল ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি মাদ্রাসা থেকে পুলিশ মামুনুল হককে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।

বিগত ২০১০ সালে নারী নীতির বিরোধীতা করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে আত্মপ্রকাশ করে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম।

২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গঠিত গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা করে আলোচনায় আসে সংগঠনটি।

কিন্তু সাংগঠনিক বিরোধের জের ধরে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পদ ছাড়তে বাধ্য করা হয় আল্লামা আহমদ শফিকে।

পরদিনেই তিনি ঢাকায় মারা যান। আর এরপরই হেফাজতের নেতৃত্ব চলে যায় জুনায়েদ বাবুনগরী এবং মামুনুল হকের হাতে। শেষ পর্যন্ত নানামুখী চাপে সেই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..