বান্দরবান প্রতিনিধি : জেলা প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায় বিএনপির কর্মী সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১টায় মেম্বারপাড়াস্থ বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলাকমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদরেজা এ ঘোষণা দেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং মারমারসভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে নতুন কমিটিরসিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মাবুদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়করিটল বিশ্বাস, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা বলেন, ১৯ মে শুক্রবার মেঘলাস্থ হোটেল নাইট হেভেন মিলনায়তনে জেলা বিএনপির কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সভার অনুমতির জন্য গত ১৪ মে জেলা প্রশাসকের কাছে সাংগঠনিক সম্পাদকস্বাক্ষরিত পত্রে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু অদ্যবধি প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি। অনুমতি না দেওয়ায় আপাতত কর্মিসভা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ঈদের পরে যেকোনো দিন অনুমতি নিয়ে কর্মিসভা করা হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং বলেন, কর্মিসভার অনুমতি না দেওয়ার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। কিন্তু এমন ঘটনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বান্দরবানে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।সভাপতি বলেন, কর্মিসভার অনুমতি না দিলেও বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চলমান থাকবে। বর্তমানে বান্দরবানের ৩১টি ইউনিয়নে বিএনপি আগের চেয়ে অনেক বেশি গোছানো ও শক্তিশালী। তিনি আরো বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ইশারায় বিএনপিতে একটি দুষ্টচক্র আজও সক্রিয়। যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজাকারের ভূমিকায় এবং ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থীর বিপক্ষে মীর জাফরের ভূমিকা পালন করেছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালের ১৫ মার্চ বান্দরবানে পাহাড়ি-বাঙালি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মূলহোতা ছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। যাঁরা দেশ, দল ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন, তাঁদের কাছ থেকে বিরোধিতা ছাড়া আর কি বা আশা করা যায়।শুক্রবার মেঘলাস্থ হোটেল নাইট হেভেন মিলনায়তনে জেলা কর্মিসমাবেশ আহ্বান করেছিল জেলা বিএনপি।
অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত মাহবুবুর রহমান শামীম উপস্থিত থাকার কথা ছিল।




