ঢাকা, ৮ আষাঢ় (২২ জুন) : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ বলেছেন, ‘বাজেট বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রতি বছর বাজেট প্রস্তাবের পর কোনো কারণ না পেলেও কিছু বলবেই।’
আজ জাতীয় সংসদে তথ্যমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর তাঁর নির্ধারিত বক্তৃতায় একথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান অর্থনীতিবিদসহ সমগ্র বিশ্ব প্রশংসা করে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এ নিয়ে আক্ষেপ করেন, অথচ শুধু প্রশংসা করতে পারে না একটি পক্ষ। আমি তাদের কাছে প্রশ্ন রাখি, গত ১০ বছর ধরে ভুল বাজেট দেওয়ার কারণেই দরিদ্রতা কী ২০ শতাংশে নেমে আসার মতো যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন হয়েছে?’ গত ১০ বছরে দেশে মাথাপিছু আয় ৬০০ থেকে ২০০০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় তিনগুণ কী করে হলো? কীভাবে স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হলো?’
২০০৮ সালে দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। ২০০৯ সালে দেশের লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ১৫ কোটি। আমরা তখন ৪০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে শুরু করেছিলাম। আজকে দেশে লোকসংখ্যা ১৭ কোটি। এখন বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। এগুলো কি সরকারের অর্জন নয়?’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বাজেটের পর বিএনপিও বলে, এটি গণমুখী বাজেট নয়। এটি দরিদ্র মানুষের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। অথচ বিশ্লেষণ করলে দেখবেন, বাজেটে শিক্ষাখাতে প্রায় ১৭ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে ১২ শতাংশের মতো বরাদ্দ। সামাজিক উন্নয়ন খাতে ব্যাপক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ড. হাছান মাহ্মুদ বলেন, ‘গবেষণার নামে যারা বাজেট নিয়ে সমালোচনা করেন, তারা তো এক-এগারোর কুশীলব। এক-এগারোর সরকারের সময় তারা নানাভাবে সুবিধা নিয়েছিলেন।





