× Banner
সর্বশেষ
লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠান বয়কট করে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করলেন এনসিপি নেতারা প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য – প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছে কেয়া আক্তার, বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল – সংস্কৃতিমন্ত্রী ডাসারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না – জামায়াত আমির বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ৩১০ বোতল ভারতীয় উইনিক্স সিরাপ উদ্ধার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার -তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশি পণ্যে সবচেয়ে বেশি শুল্ক নেয় যুক্তরাষ্ট্র!

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৮

চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এর রেশ দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে চীনা পণ্যে শুল্ক বসিয়েছে। অন্যদিকে পাল্টা জবাব দিতে চীনও মার্কিন পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে- চীন নয়, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর পোশাক ও জুতা থেকে সবচেয়ে বেশি শুল্ক নিয়ে থাকে।

ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশনের (আইটিসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে পিউ রিসার্চ সেন্টারের পর্যবেক্ষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

তবে বিষয়টি এমন নয় যে, যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্টভাবে এই দেশগুলোর পণ্যে বেশি শুল্ক আরোপ করে।  যুক্তরাষ্ট্র যেহেতু পোশাক ও জুতার মতো পণ্যে বেশি শুল্ক আরোপ করে থাকে, তাই যেসব দেশ থেকে এই ধরনের পণ্য রপ্তানি হয়, তাদেরকে বেশি শুল্ক দিতে হয়। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশ থেকে বেশি শুল্ক নিয়ে থাকে।

পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, বাংলাদেশ থেকে গত বছর ৫৭০ কোটি ডলারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ পোশাক, জুতা, হেডগিয়ার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য।  এসব পণ্যে বাংলাদেশকে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়েছে; যা  বিশ্বের ২৩২টি দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।  অথচ সমগ্র দেশ থেকে পণ্য আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্র ধার্যকৃত গড় শুল্ক মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী, বেশি শুল্ক দেয়ার কাতারে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও শ্রীলঙ্কা। কম্বোডিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি শুল্কের হার ১৪ দশমিক ১ ও শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত শুল্ক ৮ দশমিক ৯, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ২ ও মিয়ানমারের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

পিউ রিসার্চ বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন দুই দশক আগের চেয়ে শুল্ক কমিয়েছে। শুল্ক ছাড়ের পণ্যের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এটি ঘটছে।

মূলত দুটি জিনিসের ওপর এটি নির্ভর করে। একটি হচ্ছে শুল্কযোগ্য পণ্যের পরিমাণ, দ্বিতীয়টি হচ্ছে তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রে গড় শুল্কহার।

১৯৯৬ সালে চীন থেকে আমদানি করা ৭৫ দশমিক ৫ শতাংশ পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র গডে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতো। গত বছর শুল্কযোগ্য পণ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ শতাংশ। আর শুল্কের হার দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..