বগুড়া প্রতিনিধি: নতুন করে ৭৭৩টি নমুনার মধ্যে এই প্রথম বগুড়ায় রেকর্ড সংখ্যক ১৬১জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। ৭ জুন রোববার ঢাকা ও বগুড়ায় পরীক্ষা করা হলে এ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এ নিয়ে গত ১ এপ্রিল থেকে জেলায় মোট ৭৯০জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই নারীসহ ৭জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৫৩জন।
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন রোববার রাত ৮টার দিকে জেলার সর্বশেষ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে ব্রিফ করেন।
তিনি জানান, রোববারের ৭৭৩টি নমুনার মধ্যে ৫৫০টি নমুনা ঢাকায় পরীক্ষা করা হয়েছে। ওই নমুনাগুলো গত ৩০ ও ৩১ মে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
আর বাদবাকি ২২৩টি নমুনার মধ্যে ১৮৮টি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে (শজিমেক) এবং ৩৫টি পরীক্ষ করা হয়েছে বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে। ঢাকায় পরীক্ষা করা ৫৫০টি নমুনার মধ্যে ১০২টি পজিটিভ পাওয়া গেছে। আর শজিমেকের পিসিআর ল্যাবে ১৮৮টির মধ্যে ৪১জনের পজিটিভ এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজে বগুড়ার ৩৫টি নমুনার মধ্যে ১৮টি পজিটিভ এসেছে।
নতুন করে আক্রান্ত ১৬১জনের মধ্যে বরাবরের মত বগুড়া সদরের বাসিন্দা রয়েছেন ১১৮জন। এছাড়া শাজাহানপুরের ১১জন, গাবতলীর ১১জন, শিবগঞ্জের ৫জন, কাহালুর ৩জন, সোনাতলার ৮জন, শেরপুরের ১জন, দুপচাঁচিয়ার ২জন এবং আরও ২জন নন্দীগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা। বগুড়া সদরের বাসিন্দাদের মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি চেলোপাড়া, জলেশ্বরীতলা, নাটাইপাড়া, কাটনারপাড়া, ঠনঠনিয়া ও সেউজগাড়ি এলাকায়।
এ ব্যাপারে জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুুিহন জানান, বগুড়ায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৩২টি নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে ৬৪৪২টির। নমুনা পরীক্ষার হিসেবে জেলায় করোনায় আক্রান্তের হার ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ। সুস্থ হয়েছেন ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ। তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের আপাতত নিজ নিজ বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে এদের মধ্যে কারও অবস্থা জটিল মনে হলে তাদের মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।



