ম্যানিলা (ফিলিপাইন), ৩১ শ্রাবণ ১৫ আগস্ট : ফিলিপাইনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০১৯ পালন করে। এ উপলক্ষে দূতাবাস আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। ভোরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।
সকাল ১০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর আলোচনা সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। সভায় বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। বক্তারা জাতির পিতার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন এবং দেশ ও জাতির সেবায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ও আত্মত্যাগ তুলে ধরেন। তাঁরা জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা রূপায়নে সকলকে ঐকমত্যভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জাতির পিতার বিশাল ভূমিকা ও নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও তাঁর সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্নকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি।
কোটি বাঙালির হৃদয়ে সেই মহান স্বপ্ন আজও জাগ্রত এবং জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞময় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সেই পথে ক্রমে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি বলেন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু আজ অবিচ্ছেদ্য একই স্বত্বা। বক্তব্যের শেষে তিনি ফিলিপাইনে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদেরকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদ্যাপনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যসহ ১৫ অগস্টের সকল শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।





