ক্রীড়া প্রতিবেদক: দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ২৪ মিনিটে যখন মাঠ ছাড়েন তখন পেপের কাঁধে পর্তুগালের দায়িত্ব। সেমিফাইনালে দলে ছিলেন না তিনি। ফাইনালে দলে এলেন হাসিমুখে। কিন্তু চিরচেনা হাসিমুখে বেশিক্ষণ হাসি টেকেনি পেপের।
যদিও আর্মব্যান্ড পরেন নানি। তবু অধিনায়কের থেকেও বড় ভূমিকায় পেপে। তাকে সামলাতে হবে রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠ। পর্তুগাল ফিরে যায় ৪-১-৪-১ ফর্মেশনে। রিয়াল মাদ্রিদের সেন্ট্রাল ব্যাক পেপে ফ্রান্সের বিপক্ষে দারুণ ডিফেন্স করেন। ফরোয়ার্ডদের বল নিয়ে ডি বক্সের ভেতরে ঢুকতে দেননি। সব সময়ই পেপেকে আক্রমণাত্মক ডিফেন্স করতে দেখা যায়।
কিন্তু রোববার রাতে পেপেকে পাওয়া গেল পুরোপুরি ভিন্ন চরিত্রে। ফ্রান্সের কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে বিবাদে জড়াননি! বিতর্কিত কোনো অ্যাটাকও করেনি। বল দখলের লড়াইয়ে ‘ভিন্ন’ কিছু করার চেষ্টাও করেননি। একজন সিনিয়র ফুটবলারের যেভাবে খেলা উচিত ছিল সেভাবেই খেলেছেন।
রোনালদোর পরিবর্তে দলের খেলোয়াড়দের সামলেছেন দায়িত্ব নিয়ে। অসাধারণ পারফরম্যান্সে গোলদাতা এডারকে টপকে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন পেপে। ফ্রান্সের ১২টি আক্রমণ পেপে একাই নষ্ট করেছেন। তিনটি আক্রমণ প্রতিহত করেছেন। সব মিলিয়ে ৩৩ বছর বয়সি পেপে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়েছেন রোববার রাতে।
গত বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষের ম্যাচে থমাস মুলারের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে লাল কার্ড হজম করেছিলেন পেপে। নিশ্চিতভাবেই ইউরোর শিরোপা জিতে হারের সেই ক্ষত কিছুটা হলেও কমেছে রিয়াল মাদ্রিদের এ তারকার।