পার্বত্য তিন জেলাকে স্মার্ট জেলায় পরিণত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছি -পার্বত্যমন্ত্রী

পার্বত্য তিন জেলাকে স্মার্ট জেলায় পরিণত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছি -পার্বত্যমন্ত্রী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আমলে পার্বত্য অঞ্চলে কৃষিক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কাজু বাদাম, কফি, আখ, কমলা, কলার চাষ করে এখানকার কৃষকরা স্বাবলম্বি হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পার্বত্য তিন জেলাকে স্মার্ট জেলায় পরিণত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছি। বলেছেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ।

আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২-১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ চার দিনব্যাপী পার্বত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, একসময় দুর্গম থানচি এলাকা যেতে ৪ দিন ও আসতে ৩ দিন সময় লাগতো। সেখানে যাতায়াতের কোনো পাকা সড়ক ছিল না। সেখানকার ছেলেমেয়েরা উচ্চতর ডিগ্রী থেকে বঞ্চিত ছিল। সেখানে এসএসসি পরীক্ষার সেন্টার ছিল না, একটি উচ্চ বিদ্যালয় ছিল না। একসময় থানচি এলাকায় কোনো এসএসসি পাশ ছেলে মেয়ে পাওয়া যেতো না। এখন সে এলাকায় উচ্চ বিদ্যালয় হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার সেন্টার হয়েছে। মেয়েদের স্কুল হয়েছে, কলেজ হয়েছে, হাসপাতাল হয়েছে, উপজেলা কমপ্লেক্স হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আজ সেখানে মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। যেসব এলাকা দুর্গম অঞ্চল, সেসমস্ত এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পাড়া, মহল্লা, বিদ্যালয়সহ ৪২ হাজার ৫০০ পরিবারের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায়।

মন্ত্রী আশ্বাসের সাথে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পার্বত্য অঞ্চলের এক ইঞ্চি জায়গাও খালি রাখা হবে না। সমতল অঞ্চলগুলোতে সেচের জন্য নালা তৈরি করে পানির সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ক্রীক তৈরি করে সেচের জন্য আশে পাশে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আধুনিক সেচ সরঞ্জামের মাধ্যমে বাংলাদেশের এক দশমাংশ এলাকা পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগুচ্ছে।

পরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। প্রধান অতিথিসহ সকলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব প্রশাসন আলেয়া আক্তার, যুগ্মসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্মসচিব হুজুর আলীসহ মেলার অংশীজন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।