× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

পরিবেশ ছাড়পত্র পায়নি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এখনো পরিবেশের ছাড়পত্র পায়নি। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলামের প্রশ্নে জবাবে পরিবেশ মন্ত্রী এ কথা বলেন।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘রামপালে নির্মিতব্য ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য এখনো পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।’

পরিবেশমন্ত্রী সংসদে জানান, সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত পদক্ষেপ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না দাবি করে পরিবেশ মন্ত্রী জানান, এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হবে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে এবং সুন্দরবনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের রামপালে নির্মিত হচ্ছে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘বাংলাদেশ –ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। প্রকল্পে সহায়তা করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৫১০ কোটি টাকা।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রকল্পের জন্য ৪৩০ একর ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া চলছে বিভিন্ন প্রাথমিক অবকাঠামোর কাজ।

পরিবেশের ক্ষতি ও সুন্দরবনের সম্ভাব্য বিভিন্ন বিপর্যয় তুলে ধরে বিভিন্ন  সংগঠন রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎপ্রকল্প নির্মাণের বিরোধিতা করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..