× Banner
সর্বশেষ
পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের আজ ৭ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ শ্রাবণ শুক্রবারের দিনপঞ্জি ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ

পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই – রেলমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই - রেলমন্ত্রী

পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর ডায়াডাক্টের নিচে ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটার কাজ প্রকল্পের প্রয়োজনেই হয়েছে এবং এ নিয়ে গুজব ও বিভ্রান্ত ছড়ানো হয়েছে। মাটি অপসারণের ফলে রেললাইন বা কাঠামোর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না।

বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই এই কাজ করা হচ্ছে। তবে তথ্যটি ভুলভাবে উপস্থাপন এবং বিভ্রান্ত ছড়ানো হয়েছে, যা ঠিক হয়নি।’

মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ‘প্রকল্পের সঙ্গে মাটি সরানো নেতিবাচক নয় বরং ইতিবাচক সম্পর্ক আছে। মাটি কাটার কাজ প্রকল্পের নকশা ও চুক্তিরই অংশ। নিরাপত্তার স্বার্থেই কাজটি করা হয়েছে।’

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের জন্য অস্থায়ীভাবে ভরাট করা মাটি এখন প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী অপসারণ করা হচ্ছে।’

পদ্মা রেল সেতুর বায়োডাক্টের মাটি অপসারণের বিষয়ে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার প্রকল্পের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার ইতিমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট মাটি অপসারণ করা হবে।

এতে ভায়াডাক্ট বা রেললাইনের কোনো ঝুঁকি নেই। বরং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এবং প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তার প্রয়োজনে এই কাজটি দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন।’

এর জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করে রেলমন্ত্রী তিনি বলেন, ‘পুরো কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সচেতনতার সঙ্গে কাজ করছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন: রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান ও রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাফি বিন কবির, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..