মো. আবু সাঈদ, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর পৌর সদর চারমাথা বাসষ্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথের জায়গা দিন দিন দখল হয়ে গেলেও যেন দেখার কেউ নেই। খোদ সড়ক ও জনপথের মুল গেটের পাশেই ইটের গাঁথুনি দিয়ে পাকা ঘর নির্মাণ করা হলেও কর্ত্তৃপক্ষ যেন অদৃশ্য কোন কারণে নির্বিকার। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সড়ক ও জনপথের যেন কোন দায়বদ্ধতা নেই। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু শ্রেণীর মানুষ সড়ক ও জনপথের জায়গা দখলের মহোৎসবে মেতে উঠেছে।
সরেজমিনে নজিপুরের কেন্দ্রবিন্দু ৪মাথা বাসষ্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে খোদ ৪মাথাতেই প্রধান সড়কের উপর প্রায় শতাধিক চা, ফল, মিষ্টি, দইসহ নানা রকম দোকানী অস্থায়ী ঘর তৈরী করে চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফুটপাতের দোকানীদের কারণে সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে যান চলাচলের পথ।
প্রশস্ত সড়ক দখল হয়ে যাওয়ায় মাঝে মধ্যেই সৃষ্টি হচ্ছে যানযটের। যা মানুষের স্বাভাবিক কর্মকান্ডকে ব্যহত করছে। ফুটপাতের দোকানী ও অটো ভ্যান, চার্জারের অবৈধ ষ্ট্যান্ডের কারণে ব্যাহত হচ্ছে জনচলাচল।
মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে। এছাড়াও নজিপুর-বদলগাছী, নজিপুর-সাপাহার, নজিপুর-ধামইরহাট ও নজিপুর-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথের রাস্তা দখল করে স্থায়ী ও অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে ব্যবসা করার চিত্র দেখা গেছে। সব চেয়ে মজার বিষয় হলো চারমাথা বাসষ্ট্যান্ডের অদুরেই অবস্থিত সড়ক ও জনপথ অফিসের প্রধান গেটের সামনে ২টি শ্রমিক সংগঠন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ইটের দেওয়াল দিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
শ্রমিক সংগঠনের দেখাদেখি স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীকেও তাদের অস্থায়ী ঘরগুলোকে পোক্ত ভাবে তৈরীর কাজ চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শ্রমিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সকল স্থানেই শ্রমিক সংগঠনগুলো সড়কের পাশেই অফিস স্থাপন করে থাকে।
সড়ক ও জনপথের জায়গায় পাকা ঘর নির্মাণ বিষয়ে পতœীতলা সড়ক ও জনপথ উপ-বিভাগের এসও মাসুদ রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ইতিমধ্যে দখলকারীদের নামে নোটিশ জারী করা হয়েছে কাজ বন্ধ করার জন্য। যদি তাঁরা কাজ বন্ধ না করেন তবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




