অর্থনৈতিক ডেস্ক: বিজয়ের ৪৪ বছরে তলাবিহীন ঝুঁড়ি থেকে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। টানা পাঁচ বছর ছয়ের ওপর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বিশ্বের পাঁচটি দেশের একটি বাংলাদেশ। ২০২০ সাল নাগাদ আট শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেই জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়িরা।
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পর যুদ্ধবিধস্ত একটি দেশের অর্থনীতি বলতে কিছুই ছিল না। কৃষক-শ্রমিকের নিরলস শ্রম আর উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতায় ৪৪ বছরে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি।
৭৮৬ কোটি টাকায় শুরু হওয়া বাজেটের আকার এখন পৌছেছে তিন লাখ কোটি টাকায়। বিদেশি সাহায্য নির্ভর সে বাজেটের এখন ৯০ ভাগেরই যোগান আসছে নিজস্ব উৎস থেকে। ষোল কোটি মানুষের খাবার যোগাড়ে চার দশকে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণ। রপ্তানি বেড়েছে একশ গুনের বেশি। পাট রপ্তানির দেশের তকমা ঘুচে তালিকায় যোগ হয়েছে তৈরি পোশাক, চামড়া, ওষুধ, সিরামিকসহ অনেক পণ্যের নাম। প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে দিনে দিনে বাড়ছে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ।
পদ্মাসেতু, চার লেনের মহাসড়ক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মেগা প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ করা গেলে প্রবৃদ্ধি আটের ঘরে নেয়া অসম্ভব হবে না বলছেন তারা। তবে এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক অস্থিরতামুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ।
আর তা হলেই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে পৌছানো কঠিন হবে না বলছেন তারা।


