× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় বিশেষায়িত নলেজ-শেয়ারিং সেন্টার চালু করল হুয়াওয়ে

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২
নলেজ-শেয়ারিং সেন্টার

ঢাকায় ‘হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি’ নামে একটি বিশেষায়িত নলেজ-শেয়ারিং সেন্টার চালু করেছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ। ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) গুলশানের বে’স গ্যালারিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া (সিনিয়র সচিব) ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যান জুনফেং, চিফ টেকনিক্যাল অফিসার মাজিয়ান-সহ অন্যান্য ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাত হাজার বর্গফুটের হুয়াওয়ের এই অ্যাকাডেমিটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত। অত্যাধুনিক আইসিটি প্রযুক্তি ও সল্যুশন, ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স ছাড়াও গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের মাধ্যমে হুয়াওয়ে যা অর্জন করেছে সে সকল জ্ঞানও এখানে সরকারি কারিগরি কর্মকর্তা, টেলকো অপারেটর, অ্যাকাডেমিশিয়ান, সিএসই/ইইই শিক্ষার্থীসহ সামগ্রিক ইকোসিস্টেম পার্টনারদের কাছে তুলে ধরা হবে।

এই অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ চলমান রয়েছে। এখন বাংলাদেশ এই অঞ্চলের মেধার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো বাংলাদেশ এ অঞ্চলের ট্যালেন্ট হাবে পরিণত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, বহু বছর থেকে গবেষণা ও উন্নয়নে নিজেদের বিশাল বিনিয়োগের ফলে  হুয়াওয়ে অসংখ্য আইসিটি পেটেন্ট এবং জ্ঞান অর্জন করেছে এবং অনেকগুলো বছর ধরে বাংলাদেশে নতুন-নতুন প্রযুক্তি ও সল্যুশন নিয়ে আসার মাধ্যমে হুয়াওয়ে আমাদের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমির লক্ষ্যও  এর ব্যতিক্রম নয়। আমি সত্যিকারভাবে হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এ একাডেমি বাংলাদেশের আইসিটি খাতের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।”

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার প্যান জুনফেং বলেন, “আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ইকোসিস্টেম সহযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক হতে পারে। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি একটি নলেজ হাব (জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্র) হিসেবে পরিণত হবে; যেখানে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হবে। এটি স্মার্ট বাংলাদেশ এর লক্ষ্য পূরণে সরকার, আইসিটিখাতের সকল সহযোগী, শিক্ষক-গবেষক-ছাত্রসহ সকলকে এক জায়গায় নিয়ে আসবে বলে আমি প্রত্যাশা করি”।

এই হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমির অডিও-ভিজ্যুয়াল সাপোর্ট সম্বলিত চারটি জোন রয়েছে। উন্নত সুযোগ-সুবিধাসহ আরও আছে প্রশিক্ষণ কক্ষ, ষ্টুডিও-গ্রীনরুম (ভিডিও শুটিং/অনলাইন প্রশিক্ষণ/যোগাযোগ), প্রদর্শনী ও প্রেজেন্টেশন (উপস্থাপন) এলাকা এবং হুয়াওয়ে আইডিয়া হাব।

———


এ ক্যটাগরির আরো খবর..