ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাকে ফোন করেছিলেন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশে হিন্দু ও সব সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভকামনা জানান নরেন্দ্র মোদি।
আজ শুক্রবার এক্সে শেয়ার করা এক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের ফোন পেয়েছি। বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন। এক গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। ড. ইউনূস বাংলাদেশে হিন্দু ও সব সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি আশা করি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বিশেষ করে ১৪০ কোটি দেশবাসীর চিন্তা, ওখানকার হিন্দু, ওখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সুরক্ষা সুনিশ্চিত হোক। ভারত সব সময় চায়, আমাদের প্রতিবেশী দেশ সুখ ও শান্তির পথে চলুক। শান্তির প্রতি আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এটা আমাদের ঐতিহ্য। আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষা থাকবে। কারণ, আমরা মানবজাতির ভালো চাওয়া মানুষ।
প্রসঙ্গত, গত ৮ আগস্ট এক্সে এক পোস্টে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভকামনা জানাচ্ছি। বাংলাদেশে খুব দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে এবং হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলে আমরা (ভারত) প্রত্যাশা করছি।’
গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। ওই দিনই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা। পরদিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। এর পর গত ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


