× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

নবীগঞ্জ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

নবীগঞ্জে সরকারী জমি নিয়ে দুপক্ষের  সংঘর্ষে নিহত-১, আহত ২০

ACP
হালনাগাদ: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
নবীগঞ্জে সরকারী জমি নিয়ে দুপক্ষের  সংঘর্ষে নিহত-১, আহত ২০

নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামে সরকারী জমি দখল-বেদখল নিয়ে বিরোধের জেরধরে রবিবার সকালে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মঞ্জুর মিয়া (২৩) নামে এক কলেজ ছাত্র খুন হয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ২০ জন। নিহত মঞ্জুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। খবর পেয়ে থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার করগাওঁ ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে খলিলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সরকারী জমিতে ঘরবাড়ি তৈরী করে ভোগ দখলে রয়েছেন। একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে হেলাল মিয়া ও বাবরু মিয়ার ছেলে মনিরুজ্জামানগংরা উক্ত তাদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করলে এনিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ১৯ এপ্রিল রবিবার  সকালে হেলাল ও মনিরুজ্জানানের নেতৃত্বে একদল লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উক্ত জমি জবর দখলের চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষ চলাকালীন প্রতিপক্ষের আঘাতে মঞ্জুর মিয়াসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদেরকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মঞ্জুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মঞ্জুর মিয়া নবীগঞ্জ সরকারী ডিগ্রী কলেজের বিএ ১ম বর্ষের ছাত্র। অন্যান্য আহতরা হলেন মনিরুজ্জামানের ছেলে সাফি মিয়া (৩২), আনোয়ার মিয়ার ছেলে মুজিবুর রহমান (৩২), রমিজ উল্লার ছেলে শামিম মিয়া (৫০), নিহতের ভাই মামুন মিয়া (৩১), আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়া (২৮), রুহেল মিয়া (৩৮), ইমন মিয়া(১৭), কাউছার মিয়া (২২), জুয়েল আহমেদ (৩২), মামুন মিয়া (২৬)। বাকী আহতরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। নিহতের বাবা খলিলুর রহমান বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে ওই জমিতে তারা বসবাস করে আসছেন।
হেলাল ও মনিরুজ্জামানগংরা ওই জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। রবিবার সকালে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে হেলাল ও মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল লোকজন অস্ত্রশস্ত্র জমি দখল করতে আসলে বাধাঁ দেই। এতে সংঘর্ষ বাধেঁ। এক পর্যায়ে তারা আমাদের বাড়িঘরে হামলা করে আমার কলেজ পড়–য়া ছেলে’কে হত্যা করেছে।
এ ব্যাপারে ওসি (তদন্ত) দুলাল মিঞা বলেছেন, সরকারী জমি দখল-বেদখল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে সকালে সংঘর্ষ হলে বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসলে মঞ্জুর মিয়া নামে একজনকে মৃত ঘোষনা করেন ডাক্তার। পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..