× Banner
সর্বশেষ
আজ শ্রীশ্রীব্যাস পূজা ও গুরুপুর্ণিমা, জেনে নিন কেন গুরুপুর্ণিমা আজ বুধবার (২৯ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে তা বেশ কৌতুহলের আজ ২৯ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’

নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ মাস পর গৃহবধূর কংকাল উদ্ধার,কথিত প্রেমিক আটক

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জের পল্লীতে নিখোঁজের ৩ মাস পর হাওরের ধান ক্ষেত থেকে সুজনা বেগম (২৯) নামের এক গৃহবধূর কংকাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওর থেকে কংকালটি উদ্ধার করে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ। সুজনা বেগম ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের তোলাফর উল্লার মেয়ে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সুজনা বেগমের কথিত প্রেমিক সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

সূত্র জানায়, সুজনা বেগম চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যায় তার খালার বাড়ি সৈয়দপুর দাওয়াতে যাবার পথে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে সুজনার বাবা তোলাফর উল্লা ওইদিনই নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে নিখোঁজের ৩ মাস পর গতকাল শনিবার বিকেলে ইলিমপুর হাওরে স্থানীয় লোকজন কংকালের কিছু হাড় ও কাপড় দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার নবীগঞ্জ বাহুবল সার্কেল পারভেজ আলম চৌধুরী, ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খাঁন একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কংকালের হাড়, ওড়না ও সেলোয়ার কামিজসহ পরনের কাপড় উদ্ধার করেন।

এ সময় সুজনার পিতা তোলাফর উল্লাহসহ পরিবারের লোকজন ওড়না ও সেলোয়ার কামিজ দেখে কংকালটি সুজনার বলে নিশ্চিত করেন। সন্ধ্যায় সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহ কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র সাহিন মিয়াকে আটক করেন।

নিহত সুজনার ভাই সাহিনুর রহমান জানান, তার বোন সুজনার সাথে সাহিন মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে সুজনাকে মোস্তফাপুর গ্রামের জয় হোসেনের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর জয় হোসেন সৌদি আরব চলে যান। তারপর আর দেশে ফিরেনি। নিহত সুজনার ৪ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। এদিকে সুজনার বিয়ের পর প্রেমিক সাহিনও বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরও দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। এ নিয়ে কয়েকবার গ্রামে শালিস বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তাদেরকে ফিরানো যায়নি। এমতাবস্থায় সুজনা নিখোঁজ হয়।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী জানান,সুজনা নিখোঁজের পর তার পরিবারের দায়েরকৃত জিডির ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহিনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..