× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

নবান্ন উৎসব উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে মাছের মেলা

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

বগুড়া প্রতিনিধি: নতুন ধানের অন্ন হয়ে থাকে নবান্ন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবগুলোর মধ্যে পঞ্জিকামতে অগ্রহায়নের প্রথম দিনে একটি হলো নবান্ন উৎসব। এ উৎসব উপলক্ষে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্নের আনন্দে মেতে উঠে। ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবের প্রধান আকর্ষণ মাছের মেলা। এসব মেলায় ক্রয়-বিক্রয় হয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। আর উৎসব উপলক্ষে মেয়ে-জামাই ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের পরিবেশন করা হয় বাহারি পিঠা-পায়েসসহ নানা রকমের সুস্বাদু খাবার। এ উৎসবকে ঘিরেই প্রতিবছর বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসে মাছের মেলা।

সরেজমিন ঘুরে সোমবার (১৮ নভেম্বর) উপজেলার ওমরপুর, রনবাঘা, হাটকড়ই, ধুন্দার ও দাসগ্রাম এবং শেরপুর উপজেলার বারদুয়ারীহাট, সকালবাজার, গোশাইপাড়া মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে এসব মাছের মেলা।

উপজেলার রণবাঘা ও ওমরপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে বসেছে মাছের দোকান। দোকানগুলোতে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল ও সিলভার কার্পসহ নানা প্রজাতির মাছ। এসব মেলায় এক কেজি থেকে শুরু করে ১৪ কেজি ওজনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন কিনছেন এসব মাছ। এ সময় কোনো কোনো মাছ বিক্রেতাকে বিশালাকৃতির মাছগুলো মাথার ওপরে তুলে ধরে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতেও দেখা যায়।

উপজেলার পৌর এলাকার তালপুকুর গ্রামের মাছ বিক্রেতা শাহজাহান আলী জানান, ‘নবান্ন উৎসবকে ঘিরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বেশ কয়েকটি পুকুরে মাছ চাষ করেছিলাম। সেই পুকুরগুলো থেকে বড় বড় মাছ নবান্নের বাজারে বিক্রি করতে এনেছি।’

তিনি জানান, মেলায় ২শ থেকে ৫শ টাকা কেজি দরে ব্রিগেড ও সিলভার কার্প, ৮শ থেকে এক হাজার ২শ টাকায় রুই ও কাতলাসহ চিতল ও বোয়াল ৮শ থেকে হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাছের আকার ভেদে এক একটি মাছ আট হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেরপুর পৌর শহরের সকাল বাজারে মাছ কিনতে আসা প্রদীপ সাহার সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে কয়েক জাতের মাছ কিনেছি। রুই মাছ কিনেছি ৪৮০ টাকা কেজি দরে, ব্রিগেড ৫৫০ টাকা কেজিতে এবং চিতল মাছ কিনেছি ৯শ টাকা কেজি দরে। তবে, এবার মাছের বাজার একটু বাড়তি। বিশেষ করে মেলায় চিতল ও বোয়াল মাছের দাম বেশি বলেও জানান তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..